ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা বিতরণ করলেন রামুর ইউএনও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কেন দেশজুড়ে সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এলএনজি সরবরাহ কমেছে, সারা দেশে তীব্র গ্যাস-সংকট সরকার বিশ্বাস করে, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘জুলাইয়ের লেন্স’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে গণঅভ্যুত্থানের ভয়াবহতা ব্রাজিলে তরুণ ফুটবলারকে গুলি করে হত্যা হাসি-কান্নায় বিদায় নিল উখিয়া কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন: রাষ্ট্রের সোনার খনি, লাভের গুড় খাবে কে? আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মতবিনিময় সভা ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর উখিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মাইক্রোবাস জব্দ শাহপরীরদ্বীপে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি নিখোঁজ রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কবিরের, শনাক্ত করল পরিবার টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বারে ১৬ হাজার ইয়াবা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

উখিয়ায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত, আ.লীগ নেতা বাদশাহর বিরুদ্ধে চাঁদা ও হামলার অভিযোগ

কক্সবাজারের উখিয়ায় সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে রাজাপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাদশাহর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় উখিয়া থানায় দায়ের করা এজাহারে বাদশাহসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল এলাকার পরিবহন ব্যবসায়ী আবুল হাসান।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উখিয়া বাজারের গাউছিয়া মার্কেটে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছেন বাদশাহ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে গেলে তার ভায়রা ভাই মোহাম্মদ আরমান তার পক্ষে চাঁদা আদায়ের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিসে গাড়ি যুক্ত করতে এবং নিয়মিত চলাচলের জন্য টাকা দাবি করা হতো। বাদীর দাবি, তার তিনটি গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে প্রতিটি গাড়ির জন্য দুই লাখ টাকা এবং মাসে ১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩ জুলাই গাউছিয়া মার্কেট এলাকায় তাকে বাধা দেওয়া, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদী, তার সহযোগী ও দুইজন গাড়িচালককে মারধর করে আহত করা হয়। হামলার সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা পরে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এদিকে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহনের আরেক গাড়ির মালিক মোহাম্মদ মনির বলেন, “বাদশাহ ও আরমানের মাধ্যমে গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে টাকা নেওয়া বা চাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার কাছ থেকে যেমন সম্ভব, তেমনভাবে টাকা নেওয়া হয়। কেউ এক লাখ টাকা দিয়েছেন, কেউ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। এই টাকা কোথায় যায় বা কেন নেওয়া হয়, তা আমাদের জানা নেই।”

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ বাদশাহ ও অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা বিতরণ করলেন রামুর ইউএনও

উখিয়ায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত, আ.লীগ নেতা বাদশাহর বিরুদ্ধে চাঁদা ও হামলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে রাজাপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাদশাহর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় উখিয়া থানায় দায়ের করা এজাহারে বাদশাহসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল এলাকার পরিবহন ব্যবসায়ী আবুল হাসান।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উখিয়া বাজারের গাউছিয়া মার্কেটে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছেন বাদশাহ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে গেলে তার ভায়রা ভাই মোহাম্মদ আরমান তার পক্ষে চাঁদা আদায়ের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিসে গাড়ি যুক্ত করতে এবং নিয়মিত চলাচলের জন্য টাকা দাবি করা হতো। বাদীর দাবি, তার তিনটি গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে প্রতিটি গাড়ির জন্য দুই লাখ টাকা এবং মাসে ১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩ জুলাই গাউছিয়া মার্কেট এলাকায় তাকে বাধা দেওয়া, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদী, তার সহযোগী ও দুইজন গাড়িচালককে মারধর করে আহত করা হয়। হামলার সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা পরে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এদিকে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহনের আরেক গাড়ির মালিক মোহাম্মদ মনির বলেন, “বাদশাহ ও আরমানের মাধ্যমে গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে টাকা নেওয়া বা চাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার কাছ থেকে যেমন সম্ভব, তেমনভাবে টাকা নেওয়া হয়। কেউ এক লাখ টাকা দিয়েছেন, কেউ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। এই টাকা কোথায় যায় বা কেন নেওয়া হয়, তা আমাদের জানা নেই।”

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ বাদশাহ ও অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।