ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

উখিয়ায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত, আ.লীগ নেতা বাদশাহর বিরুদ্ধে চাঁদা ও হামলার অভিযোগ

কক্সবাজারের উখিয়ায় সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে রাজাপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাদশাহর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় উখিয়া থানায় দায়ের করা এজাহারে বাদশাহসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল এলাকার পরিবহন ব্যবসায়ী আবুল হাসান।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উখিয়া বাজারের গাউছিয়া মার্কেটে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছেন বাদশাহ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে গেলে তার ভায়রা ভাই মোহাম্মদ আরমান তার পক্ষে চাঁদা আদায়ের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিসে গাড়ি যুক্ত করতে এবং নিয়মিত চলাচলের জন্য টাকা দাবি করা হতো। বাদীর দাবি, তার তিনটি গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে প্রতিটি গাড়ির জন্য দুই লাখ টাকা এবং মাসে ১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩ জুলাই গাউছিয়া মার্কেট এলাকায় তাকে বাধা দেওয়া, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদী, তার সহযোগী ও দুইজন গাড়িচালককে মারধর করে আহত করা হয়। হামলার সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা পরে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এদিকে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহনের আরেক গাড়ির মালিক মোহাম্মদ মনির বলেন, “বাদশাহ ও আরমানের মাধ্যমে গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে টাকা নেওয়া বা চাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার কাছ থেকে যেমন সম্ভব, তেমনভাবে টাকা নেওয়া হয়। কেউ এক লাখ টাকা দিয়েছেন, কেউ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। এই টাকা কোথায় যায় বা কেন নেওয়া হয়, তা আমাদের জানা নেই।”

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ বাদশাহ ও অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

উখিয়ায় পরিবহন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত, আ.লীগ নেতা বাদশাহর বিরুদ্ধে চাঁদা ও হামলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ায় সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, হামলা ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে রাজাপালং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাদশাহর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় উখিয়া থানায় দায়ের করা এজাহারে বাদশাহসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়ারবিল এলাকার পরিবহন ব্যবসায়ী আবুল হাসান।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উখিয়া বাজারের গাউছিয়া মার্কেটে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছেন বাদশাহ। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে গেলে তার ভায়রা ভাই মোহাম্মদ আরমান তার পক্ষে চাঁদা আদায়ের দায়িত্ব পালন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহন সার্ভিসে গাড়ি যুক্ত করতে এবং নিয়মিত চলাচলের জন্য টাকা দাবি করা হতো। বাদীর দাবি, তার তিনটি গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে প্রতিটি গাড়ির জন্য দুই লাখ টাকা এবং মাসে ১৫ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩ জুলাই গাউছিয়া মার্কেট এলাকায় তাকে বাধা দেওয়া, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে গত ৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় বাদী, তার সহযোগী ও দুইজন গাড়িচালককে মারধর করে আহত করা হয়। হামলার সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা পরে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এদিকে সি-লাইন ও কক্স লাইন পরিবহনের আরেক গাড়ির মালিক মোহাম্মদ মনির বলেন, “বাদশাহ ও আরমানের মাধ্যমে গাড়ি লাইনে যুক্ত করতে টাকা নেওয়া বা চাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার কাছ থেকে যেমন সম্ভব, তেমনভাবে টাকা নেওয়া হয়। কেউ এক লাখ টাকা দিয়েছেন, কেউ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন। এই টাকা কোথায় যায় বা কেন নেওয়া হয়, তা আমাদের জানা নেই।”

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে মোহাম্মদ বাদশাহ ও অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।