ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিন যুবক খু*ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি ব্রিফিং ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজারে ৫৪ কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২৬ হাজার ৭৪৭ শিক্ষার্থী “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কুতুবদিয়া উপজেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন বাঁচাতে হবে ছাত্র রাজনীতি মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকারবদ্ধ কক্সবাজারের সাংবাদিকেরা খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা উখিয়ায় চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আবু সিদ্দিক টেকনাফে গ্রেফতার আশারতলী তাফহীমুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসায় বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান জোয়ারের পানিতে স্লুইসগেট ভেঙে তলিয়ে গেছে লবণের মাঠ- হাজারো চাষী ক্ষতিগ্রস্ত নৌবাহিনীর অভিযান: মিয়ানমার পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১ জন, বোট জব্দ অ্যাডভোকেট শামীম আরা,নারী এমপি হয়ে ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছেন

সেহরিতে যেসব খাবারে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

দীর্ঘ সময় খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকার কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা থাকলেও, কেউ কেউ এই মাসে তাদের খাদ্যাভ্যাসের আকস্মিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অসুবিধা বোধ করতে পারে। অনেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য খাদ্য ও পানীয় পরিহার করার ফলে ক্লান্তি এবং অবসাদ অনুভব করতে পারেন। রোজার সময় ক্লান্তি এড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে চললে অবশ্য এই সমস্যা থেকে কিছুটা সমাধান পাওয়া যাবে।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ফাদি আব্বাস কথা বলেছিলেন বিবিসির সঙ্গে, সেখানে তিনি বলেন, ‘সেহরিতে, আপনার উচিত এমন সব খাবারের দিকে মনোনিবেশ করা যাতে প্রায় ৭০ শতাংশ পানি থাকে।”

তার মতে, খাবারটি তিন ধাপে খাওয়া উচিত এবং এক ধাপের সঙ্গে আরেক ধাপের যেন পাঁচ মিনিটের ব্যবধান থাকে।

সেহরি শুরু করতে হবে সালাদ দিয়ে। এতে থাকতে পারে শসা, লেটুস ইত্যাদি। তবে খেয়াল রাখতে হবে সালাদে যেন লবণ বেশি না থাকে।

কেননা লবণ বেশি খেলে কয়েক ঘণ্টা পরে শরীরে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। পনির এবং বাদামের অনেক উপকারিতা থাকলেও এতে থাকা লবণের কারণে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়।

তিনি যোগ করেছেন, ‘সেহরির দ্বিতীয় ধাপে ক্ষেত্রে হবে শর্করা ও চিনি জাতীয় খাবার। এক্ষেত্রে দুই তিন টুকরো বা এক কাপ তাজা ফল খাওয়া ভাল, যেগুলোয় পানির পরিমাণ বেশি। যেমন তরমুজ, কমলা।’

চাইলে এসব ফলের জুস করেও খেতে পারেন এক কাপ পরিমাণে। এরপর তৃতীয় বা শেষ ধাপে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে।

রোজা রাখার সময় সেহরিতে চা এবং কফি পান করা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। কারণ এসব পানি হলো মূত্রবর্ধক এবং এতে ক্যাফেইন থাকে। এতে শরীর থেকে দ্রুত পানি বেরিয়ে যাবে।

শরীরের তরল কমে যাওয়া মানে তা দ্রুত প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন। না হলে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হবে। এর ফলে মাথাব্যথা, নিম্ন রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

সেহরিতে যেসব খাবারে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

দীর্ঘ সময় খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকার কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা থাকলেও, কেউ কেউ এই মাসে তাদের খাদ্যাভ্যাসের আকস্মিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অসুবিধা বোধ করতে পারে। অনেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য খাদ্য ও পানীয় পরিহার করার ফলে ক্লান্তি এবং অবসাদ অনুভব করতে পারেন। রোজার সময় ক্লান্তি এড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে চললে অবশ্য এই সমস্যা থেকে কিছুটা সমাধান পাওয়া যাবে।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ফাদি আব্বাস কথা বলেছিলেন বিবিসির সঙ্গে, সেখানে তিনি বলেন, ‘সেহরিতে, আপনার উচিত এমন সব খাবারের দিকে মনোনিবেশ করা যাতে প্রায় ৭০ শতাংশ পানি থাকে।”

তার মতে, খাবারটি তিন ধাপে খাওয়া উচিত এবং এক ধাপের সঙ্গে আরেক ধাপের যেন পাঁচ মিনিটের ব্যবধান থাকে।

সেহরি শুরু করতে হবে সালাদ দিয়ে। এতে থাকতে পারে শসা, লেটুস ইত্যাদি। তবে খেয়াল রাখতে হবে সালাদে যেন লবণ বেশি না থাকে।

কেননা লবণ বেশি খেলে কয়েক ঘণ্টা পরে শরীরে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। পনির এবং বাদামের অনেক উপকারিতা থাকলেও এতে থাকা লবণের কারণে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়।

তিনি যোগ করেছেন, ‘সেহরির দ্বিতীয় ধাপে ক্ষেত্রে হবে শর্করা ও চিনি জাতীয় খাবার। এক্ষেত্রে দুই তিন টুকরো বা এক কাপ তাজা ফল খাওয়া ভাল, যেগুলোয় পানির পরিমাণ বেশি। যেমন তরমুজ, কমলা।’

চাইলে এসব ফলের জুস করেও খেতে পারেন এক কাপ পরিমাণে। এরপর তৃতীয় বা শেষ ধাপে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে।

রোজা রাখার সময় সেহরিতে চা এবং কফি পান করা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। কারণ এসব পানি হলো মূত্রবর্ধক এবং এতে ক্যাফেইন থাকে। এতে শরীর থেকে দ্রুত পানি বেরিয়ে যাবে।

শরীরের তরল কমে যাওয়া মানে তা দ্রুত প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন। না হলে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন হবে। এর ফলে মাথাব্যথা, নিম্ন রক্তচাপ, কিডনি সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।