ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে উশো-কারাতে ক্লাবের উদ্বোধন প্রফেসর আখতার বাদী: কক্সবাজারের দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিন যুবক খু*ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি ব্রিফিং ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজারে ৫৪ কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২৬ হাজার ৭৪৭ শিক্ষার্থী “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কুতুবদিয়া উপজেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন বাঁচাতে হবে ছাত্র রাজনীতি মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকারবদ্ধ কক্সবাজারের সাংবাদিকেরা খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের জন্য নগদ বৃত্তির ঘোষণা উখিয়ায় চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার প্রধান আসামি আবু সিদ্দিক টেকনাফে গ্রেফতার আশারতলী তাফহীমুল কুরআন দাখিল মাদ্রাসায় বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান

সুখে থাকার দিন আজ

আজ ২০ মার্চ, আন্তর্জাতিক সুখ দিবস। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আরও সুখী, কল্যাণময় ও সহানুভূতিশীল বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। এটি মানুষের জীবনে সুখের গুরুত্ব উদযাপন এবং স্বীকৃতি দেওয়ার একটি দিন। এই দিনে ব্যক্তি, সম্প্রদায় ও সংস্থা পর্যায়ে সুখ ও কল্যাণ বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক সুখ দিবস উদযাপনের কিছু উপায়:
সুখ ছড়িয়ে দিন : অন্য কারো জন্য ভালো কিছু করতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা শেয়ার করুন, অথবা সুখ ও ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠানের হয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারেন।

নিজের সুখের কথা ভাবুন : আপনাকে কী খুশি করে তা নিয়ে ভাবার জন্য সময় নিন এবং সেই বিষয়গুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করুন।

অন্যদের সঙ্গে উদযাপন করুন : বন্ধুবান্ধব, পরিবার বা সহকর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে দিনটি উদযাপন করার জন্য সুখকে প্রতিপাদ্য করে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন।

সুখ সম্পর্কে জানুন : সুখ ও সুস্থতা বিষয়ক বই পড়ুন অথবা তথ্যচিত্র দেখুন এবং আপনার অর্জিত নতুন জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারেন।

যেভাবে এলো আন্তর্জাতিক সুখ দিবস

২০১২ সালে জাতিসংঘ ২০ মার্চকে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। টেকসই উন্নয়ন ও বিশ্ব শান্তির প্রচারে সুখ ও কল্যাণের গুরুত্ব স্বীকার করে নিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই দিবসটি প্রথম ২০১৩ সালে পালিত হয় এবং তারপর থেকে এটি বিশ্বব্যাপী একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ সুখ ও সুস্থতার প্রচারে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।

সুখ মানুষের মৌলিক অধিকার, এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই আন্তর্জাতিক সুখ দিবস পালিত হয়। একইসঙ্গে মনে করা হয় যে, সুখ ও কল্যাণের প্রচার একটি আরও শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই বিশ্বের দিকে পরিচালিত করতে পারে। জীবনে রূপান্তর ঘটাতে এবং পৃথিবীকে সবার জন্য একটি উন্নত স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সুখের শক্তি উদযাপনের দিন এটি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর

সুখে থাকার দিন আজ

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

আজ ২০ মার্চ, আন্তর্জাতিক সুখ দিবস। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আরও সুখী, কল্যাণময় ও সহানুভূতিশীল বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। এটি মানুষের জীবনে সুখের গুরুত্ব উদযাপন এবং স্বীকৃতি দেওয়ার একটি দিন। এই দিনে ব্যক্তি, সম্প্রদায় ও সংস্থা পর্যায়ে সুখ ও কল্যাণ বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হয়।

আন্তর্জাতিক সুখ দিবস উদযাপনের কিছু উপায়:
সুখ ছড়িয়ে দিন : অন্য কারো জন্য ভালো কিছু করতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা শেয়ার করুন, অথবা সুখ ও ইতিবাচকতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় কোনো দাতব্য প্রতিষ্ঠানের হয়ে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পারেন।

নিজের সুখের কথা ভাবুন : আপনাকে কী খুশি করে তা নিয়ে ভাবার জন্য সময় নিন এবং সেই বিষয়গুলো আপনার দৈনন্দিন জীবনে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করুন।

অন্যদের সঙ্গে উদযাপন করুন : বন্ধুবান্ধব, পরিবার বা সহকর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে দিনটি উদযাপন করার জন্য সুখকে প্রতিপাদ্য করে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন।

সুখ সম্পর্কে জানুন : সুখ ও সুস্থতা বিষয়ক বই পড়ুন অথবা তথ্যচিত্র দেখুন এবং আপনার অর্জিত নতুন জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারেন।

যেভাবে এলো আন্তর্জাতিক সুখ দিবস

২০১২ সালে জাতিসংঘ ২০ মার্চকে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। টেকসই উন্নয়ন ও বিশ্ব শান্তির প্রচারে সুখ ও কল্যাণের গুরুত্ব স্বীকার করে নিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই দিবসটি প্রথম ২০১৩ সালে পালিত হয় এবং তারপর থেকে এটি বিশ্বব্যাপী একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষ সুখ ও সুস্থতার প্রচারে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।

সুখ মানুষের মৌলিক অধিকার, এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই আন্তর্জাতিক সুখ দিবস পালিত হয়। একইসঙ্গে মনে করা হয় যে, সুখ ও কল্যাণের প্রচার একটি আরও শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই বিশ্বের দিকে পরিচালিত করতে পারে। জীবনে রূপান্তর ঘটাতে এবং পৃথিবীকে সবার জন্য একটি উন্নত স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সুখের শক্তি উদযাপনের দিন এটি।