ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা কক্সবাজারে পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা “বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে”- কক্সবাজারে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার: টেন্ডার সিন্ডিকেটের কেন্দ্রে ‘রয়েল নাসির’ ঝিলংজা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাশেদ-এর ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিব বন্যার্তদের পাশে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল,রামুতে দেড় হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবারের বদলে হবে বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়ায় বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ৪ জেলের মরদেহ উদ্ধার কক্সবাজার জেলা যুবদলের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বাঁশের সাঁকোই হলো মৃত্যুফাঁদ, রামুতে প্রাণ গেল যুবকের পুলিশের ‘বিশেষ’ অভিযান: আড়াই মাসে গ্রেপ্তার ৩৩ হাজার, বেশিরভাগই মাদক মামলায় ‘গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে’ ফ্রান্স কি স্পেনকে ভয় পাচ্ছে? ফ্রান্স বনাম স্পেন : ৩৭ হাজার কোটি টাকার সেমিফাইনাল প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আলোচনায় জিওসি

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণের সূচনা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের গতি ত্বরান্বিত করে এবং পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

প্রতি বছরের মতো এবারও রামু সেনানিবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ন অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আরো বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশগঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রাক্তন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা

সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আলোচনায় জিওসি

রামু ক্যান্টনমেন্টে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মিলিত আক্রমণের সূচনা হয়েছিল, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের গতি ত্বরান্বিত করে এবং পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

প্রতি বছরের মতো এবারও রামু সেনানিবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজার এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ন অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ আরো বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশগঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, প্রাক্তন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।