ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসরায়েল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের বড় ধরনের হামলা কক্সবাজারে বাস-মিনিবাস শৃঙ্খলা পরিচালনা কমিটি গঠন ​সালাহউদ্দিন আহমদের ১২ তম গুম দিবস উপলক্ষে ছাত্রদল নেতা ফাহিমুর রহমানের দিনব্যাপী কর্মসূচি খুরুশকুল ও রামুতে ইফতার সামগ্রি বিতরণে এমপি কাজল সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী কক্সবাজার জেলা সংসদের কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত “মানবতার মুক্তির বারতা দিতে মাহে রামাদান প্রতিবছর আমাদের মাঝে আসে” -জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারী সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের আলোচনা সভা ও  ইফতার অনুষ্ঠিত “মানবতার মুক্তির বারতা দিতে মাহে রামাদান প্রতিবছর আমাদের মাঝে আসে ” -জেলা আমীর আনোয়ারী কক্সবাজারে শিশুদের পাঁচ দিনের নাট্য কর্মশালা ‘অধিধ্বনি’র কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বৃহস্পতিবার ২ মামলায় কারাগারে এন. আলম রামুর রাবার বাগানে মরদেহ উদ্ধার লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফাঁসিয়াখালীতে ১০৯৭ পরিবারের হাতে কার্ড উখিয়ার ক্যাম্পে পালিয়ে এল নারী-শিশু সহ ৬জন

ভোটের সময় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • 777

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষকে যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সে আলোচনা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মতামতে এ সিদ্ধান্ত অনেকটা চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সভাপতিত্বে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত সরকারের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪৮তম রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার ঠেকানো। রোহিঙ্গাদের যেন কেউ কোনোভাবেই আসন্ন নির্বাচনে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে, এ বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ভোটের আগে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে আরও তৎপরতা বাড়ানোর কথা ওঠে এসেছে।

সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ‘সিল’ করার কথা উঠলেও পুরোপুরি বন্ধ না করে, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাতায়াতকারী রোহিঙ্গাদের ওপর কঠোর নজরদারিসহ গোটা এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখার কথা এসেছে। ভোটের কাজে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উপ-ক্যাম্পগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারদের পরিবর্তন না করার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, প্রতিদিনই নতুন নতুন রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে যেন অনুপ্রবেশ না বেড়ে যায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কার্যক্রম চলমান রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্থ হবে এমন কোনো কার্যক্রম রোহিঙ্গাদের করতে দেওয়া হবে না। সরকার এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবে না। ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে পারে, এটা নিশ্চিত করতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এক জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “ভোটের সময় সীমান্ত ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প অনেকটা সিল থাকবে। সরকার এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবে না। ক্যাম্প ইনচার্জদের (সিআইসি) পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে। ক্যাম্প দায়িত্বে থাকা সিআইসিদের সরানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের। মোটা দাগে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যত পদক্ষেপ নিতে হয় সরকার তার সব নেবে। এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের যেন কেউ কোনোভাবেই আসন্ন নির্বাচনে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।”

কবে নাগাদ রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বর্ডার সিল করা হবে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের পুরো নির্বাচনের সময় বা এখন থেকে মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে যেসব কার্যক্রম আছে সেখানে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”

নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত ‘সিল’ করে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ মতামত ব্যক্ত করেন তিনি।

সানাউল্লাহ বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। কেউ যদি কোন অস্ত্র সীমান্তের ওপার থেকে নিয়ে এসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকিয়ে ফেলে, সহজে এটাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। একটা বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, একটা গোষ্ঠী যদি অস্ত্র ব্যবহার করে নাশকতা করতে চায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবহার করলে তাকে ধরা খুব কঠিন।”

“রোহিঙ্গাদের চলাচলে অবশ্যই আমাদের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বর্ডারকে সিল করে দিতে হবে।” —বলেন তিনি।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআ) তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৮ জনে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০। সেপ্টেম্বরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫১ জন।

ইউএনএইচসিআর জানায়, বর্তমানে কক্সবাজার ও ভাসানচরের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭১ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা গেছে। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩৭ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

সুত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :

ইসরায়েল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের বড় ধরনের হামলা

ভোটের সময় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প

আপডেট সময় : ০১:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষকে যেন কেউ ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সে আলোচনা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের মতামতে এ সিদ্ধান্ত অনেকটা চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সভাপতিত্বে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত সরকারের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪৮তম রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয় ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার ঠেকানো। রোহিঙ্গাদের যেন কেউ কোনোভাবেই আসন্ন নির্বাচনে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে, এ বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ভোটের আগে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে আরও তৎপরতা বাড়ানোর কথা ওঠে এসেছে।

সভায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প ‘সিল’ করার কথা উঠলেও পুরোপুরি বন্ধ না করে, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাতায়াতকারী রোহিঙ্গাদের ওপর কঠোর নজরদারিসহ গোটা এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখার কথা এসেছে। ভোটের কাজে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উপ-ক্যাম্পগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কমান্ডিং অফিসারদের পরিবর্তন না করার বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, প্রতিদিনই নতুন নতুন রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যস্ততার সুযোগে যেন অনুপ্রবেশ না বেড়ে যায় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কার্যক্রম চলমান রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্থ হবে এমন কোনো কার্যক্রম রোহিঙ্গাদের করতে দেওয়া হবে না। সরকার এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবে না। ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে পারে, এটা নিশ্চিত করতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এক জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “ভোটের সময় সীমান্ত ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প অনেকটা সিল থাকবে। সরকার এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবে না। ক্যাম্প ইনচার্জদের (সিআইসি) পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে। ক্যাম্প দায়িত্বে থাকা সিআইসিদের সরানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের। মোটা দাগে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যত পদক্ষেপ নিতে হয় সরকার তার সব নেবে। এক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের যেন কেউ কোনোভাবেই আসন্ন নির্বাচনে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।”

কবে নাগাদ রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বর্ডার সিল করা হবে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের পুরো নির্বাচনের সময় বা এখন থেকে মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে যেসব কার্যক্রম আছে সেখানে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।”

নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত ‘সিল’ করে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ মতামত ব্যক্ত করেন তিনি।

সানাউল্লাহ বলেন, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। কেউ যদি কোন অস্ত্র সীমান্তের ওপার থেকে নিয়ে এসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকিয়ে ফেলে, সহজে এটাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। একটা বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, একটা গোষ্ঠী যদি অস্ত্র ব্যবহার করে নাশকতা করতে চায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবহার করলে তাকে ধরা খুব কঠিন।”

“রোহিঙ্গাদের চলাচলে অবশ্যই আমাদের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বর্ডারকে সিল করে দিতে হবে।” —বলেন তিনি।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআ) তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরে বাংলাদেশে নতুন নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৮ জনে। গত অক্টোবর পর্যন্ত ১১ মাসে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০। সেপ্টেম্বরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৫১ জন।

ইউএনএইচসিআর জানায়, বর্তমানে কক্সবাজার ও ভাসানচরের বিভিন্ন ক্যাম্পে ১১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭১ জন রোহিঙ্গাকে চিহ্নিত করা গেছে। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৩৭ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

সুত্র: ঢাকা পোস্ট