ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী চাকরিতে অর্জিত পদোন্নতির অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না: হাইকোর্ট

ভালোবাসাই যেন বিজয়ের প্রেরণা: মেসি ও ভিরাট যেখানে মিলে যান একই বিন্দুতে..

এক সময় ছিল যখন ভিরাট কোহলি আইপিএলের ট্রফির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও বারবার ফিরে এসেছেন খালি হাতে। আর লিওনেল মেসি—ফুটবল বিশ্বে শতাব্দীর সেরা হয়েও বারবার শুনেছেন, “তোমার তো বিশ্বকাপ নেই!” কিন্তু এই দুই কিংবদন্তির যাত্রা শুধু খেলার মাঠেই শেষ হয়নি, তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় এসেছে হৃদয়ের মাঠে—সঙ্গীর ভালোবাসা, সাহস আর সমর্থনে।

ভিরাট যখন ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চাপে ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখন আনুশকাই ছিলেন তার ছায়া হয়ে। মিডিয়ার আঘাত, ব্যর্থতার অভিশাপ, হাজারো সমালোচনার মাঝেও আনুশকা কখনো চোখ ফেরাননি। খেলার শেষে যখন সকলের চোখ ট্রফিতে, আনুশকার চোখ ছিল শুধুই ভিরাটের ক্লান্ত কিন্তু শান্ত মুখে। সে যেন শুধু একজন স্ত্রী নয়—একজন নীরব অনুপ্রেরণা, লড়াইয়ের দিনের মানসিক শক্তি, একজন যোদ্ধার হার না মানা অবয়ব..

অন্যদিকে, মেসির জীবনেও আন্তোনেলা ছিল তার শৈশবের আলো। ফুটবলের মাঠে একের পর এক ট্রফি উঠেছে তার হাতে, কিন্তু সাধের বিশ্বকাপ ছিল অধরাই। সবাই ভেবেছিল, হয়তো এটাই ফুটবল জাদুকরের জীবনের একমাত্র অপূর্ণতা।

কিন্তু আন্তোনেলা কখনো সেই ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা ভাবেননি। তাঁর জন্য, মেসি সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন। যখন বিশ্বকাপ হাতে মেসি চোখ বন্ধ করে হাসছিলেন, তখন আন্তোনেলার চোখে ভর করেছিলো শত শত নির্ঘুম রাতের প্রার্থনার জ্যোতি।

এই দুই মানুষ—ভিরাট আর মেসি—যারা শুধুই ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, পুরো দুনিয়াকে দেখিয়েছেন যে, একজন মানুষের পেছনে যদি থাকে ভালোবাসা, সাহস আর একটুখানি নির্ভরতা, তবে সে পারে পৃথিবীর যেকোনো শৃঙ্গ জয় করতে।

এই গল্প শুধু খেলার নয়, ভালোবাসার, প্রতীক্ষার, আত্মবিশ্বাসের—আর নীরব সেই মানুষগুলোর, যারা সামনে না থেকেও পাশে থেকে বারবার প্রমাণ করে যান নজরুলকে-

” কোন কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারি,

প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ

ভালোবাসাই যেন বিজয়ের প্রেরণা: মেসি ও ভিরাট যেখানে মিলে যান একই বিন্দুতে..

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

এক সময় ছিল যখন ভিরাট কোহলি আইপিএলের ট্রফির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও বারবার ফিরে এসেছেন খালি হাতে। আর লিওনেল মেসি—ফুটবল বিশ্বে শতাব্দীর সেরা হয়েও বারবার শুনেছেন, “তোমার তো বিশ্বকাপ নেই!” কিন্তু এই দুই কিংবদন্তির যাত্রা শুধু খেলার মাঠেই শেষ হয়নি, তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় এসেছে হৃদয়ের মাঠে—সঙ্গীর ভালোবাসা, সাহস আর সমর্থনে।

ভিরাট যখন ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চাপে ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখন আনুশকাই ছিলেন তার ছায়া হয়ে। মিডিয়ার আঘাত, ব্যর্থতার অভিশাপ, হাজারো সমালোচনার মাঝেও আনুশকা কখনো চোখ ফেরাননি। খেলার শেষে যখন সকলের চোখ ট্রফিতে, আনুশকার চোখ ছিল শুধুই ভিরাটের ক্লান্ত কিন্তু শান্ত মুখে। সে যেন শুধু একজন স্ত্রী নয়—একজন নীরব অনুপ্রেরণা, লড়াইয়ের দিনের মানসিক শক্তি, একজন যোদ্ধার হার না মানা অবয়ব..

অন্যদিকে, মেসির জীবনেও আন্তোনেলা ছিল তার শৈশবের আলো। ফুটবলের মাঠে একের পর এক ট্রফি উঠেছে তার হাতে, কিন্তু সাধের বিশ্বকাপ ছিল অধরাই। সবাই ভেবেছিল, হয়তো এটাই ফুটবল জাদুকরের জীবনের একমাত্র অপূর্ণতা।

কিন্তু আন্তোনেলা কখনো সেই ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা ভাবেননি। তাঁর জন্য, মেসি সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন। যখন বিশ্বকাপ হাতে মেসি চোখ বন্ধ করে হাসছিলেন, তখন আন্তোনেলার চোখে ভর করেছিলো শত শত নির্ঘুম রাতের প্রার্থনার জ্যোতি।

এই দুই মানুষ—ভিরাট আর মেসি—যারা শুধুই ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, পুরো দুনিয়াকে দেখিয়েছেন যে, একজন মানুষের পেছনে যদি থাকে ভালোবাসা, সাহস আর একটুখানি নির্ভরতা, তবে সে পারে পৃথিবীর যেকোনো শৃঙ্গ জয় করতে।

এই গল্প শুধু খেলার নয়, ভালোবাসার, প্রতীক্ষার, আত্মবিশ্বাসের—আর নীরব সেই মানুষগুলোর, যারা সামনে না থেকেও পাশে থেকে বারবার প্রমাণ করে যান নজরুলকে-

” কোন কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারি,

প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”