ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সম্মান ক্ষুন্ন করতে ও পাওনা টাকা না দিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে:ফখরুল ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস চালু ৩৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক,ঈদগাঁও থানার হেফাজত থেকে পালাল কিশোর! উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, পালালেন আরও দুজন  অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১২% ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত

বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায়

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 1442

কক্সবাজার শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, এর সীমানায় থাকা সব দখলদারকে উচ্ছেদের নির্দেশও দেন আদালত।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রায়ের পুর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

হাইকোর্ট তার পুর্ণাঙ্গ রায়ে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, আগামী ৪ মাসের মধ্যে বাকখালী নদী ও এর আশপাশের এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, আরএস ও বিএস ম্যাপ অনুযায়ী এবং নদীর বর্তমান প্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ ও পিলার স্থাপন করার নির্দেশ দেন।

এছাড়া, আগামী ৪ মাসের মধ্যে সব অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং নদীকে দূষণমুক্ত, নদীর দুই তীরে উজাড় হওয়া উপকূলীয় বন পুনরায় পুনরুদ্ধার বা বনায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এই মামলাটিকে ‘কন্টিনিউয়াস ম্যানডামাস’ বা চলমান তদারকি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর ফলে নদী রক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি বছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে (প্রতি ছয় মাস পরপর) নিয়মিতভাবে আদালতে জমা দিতে হবে বলা হয়েছে।

কলম্বিয়ার আত্রাতো ও পেরুর মারানিওন নদীর উদাহরণ টেনে আদালত মনে করিয়ে দেন– নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এর নিজস্ব আইনি সত্তা ও অধিকার রয়েছে।

উল্লেখ্য, দখল থেকে বাঁকখালী নদীকে মুক্ত করে এর জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালে প্রতিকার চেয়ে ‘বেলা’ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। মামলাটি বানচাল করতে এর বিরুদ্ধে দখলকারীরা ২০২৩ সালে অপর একটি মামলা দায়ের করে, যা গত ২৪ আগস্ট খারিজ করে দেন আদালত।

সূত্র: যমুনা টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন

বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায়

আপডেট সময় : ০৮:১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, এর সীমানায় থাকা সব দখলদারকে উচ্ছেদের নির্দেশও দেন আদালত।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রায়ের পুর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

হাইকোর্ট তার পুর্ণাঙ্গ রায়ে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, আগামী ৪ মাসের মধ্যে বাকখালী নদী ও এর আশপাশের এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, আরএস ও বিএস ম্যাপ অনুযায়ী এবং নদীর বর্তমান প্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ ও পিলার স্থাপন করার নির্দেশ দেন।

এছাড়া, আগামী ৪ মাসের মধ্যে সব অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং নদীকে দূষণমুক্ত, নদীর দুই তীরে উজাড় হওয়া উপকূলীয় বন পুনরায় পুনরুদ্ধার বা বনায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এই মামলাটিকে ‘কন্টিনিউয়াস ম্যানডামাস’ বা চলমান তদারকি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর ফলে নদী রক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি বছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে (প্রতি ছয় মাস পরপর) নিয়মিতভাবে আদালতে জমা দিতে হবে বলা হয়েছে।

কলম্বিয়ার আত্রাতো ও পেরুর মারানিওন নদীর উদাহরণ টেনে আদালত মনে করিয়ে দেন– নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এর নিজস্ব আইনি সত্তা ও অধিকার রয়েছে।

উল্লেখ্য, দখল থেকে বাঁকখালী নদীকে মুক্ত করে এর জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালে প্রতিকার চেয়ে ‘বেলা’ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। মামলাটি বানচাল করতে এর বিরুদ্ধে দখলকারীরা ২০২৩ সালে অপর একটি মামলা দায়ের করে, যা গত ২৪ আগস্ট খারিজ করে দেন আদালত।

সূত্র: যমুনা টিভি