ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আমিন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন টেকনাফে অস্ত্রসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব বৈশাখী ঝড়ে বৈশাখ উদযাপন: স্বাধীন চেতনার উৎসব হোক আমাদের অহংকার শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  শহরের নতুন বাহারছড়া এলাকায় দোকান ভাংচুরের অভিযোগ রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ পহেলা বৈশাখ পুলিশের ভুলের খেসারতে কারাগারে কাটানো রাতে নির্ঘুম ছিল শিশু মাইরা পিএমখালীতে সীমানা বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা গর্জনিয়া ইউনিয়নের টোল-ট্যাক্স ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা পেলেন লুৎফুর রহমান রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন মানবপাচারের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেলোয়ার ও আক্তারের সীমিত জনবলেও তৎপর উখিয়া রেঞ্জ, বনউজাড় করতে গিয়ে ধরা পড়ল ২৬ রোহিঙ্গা

বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মদিন আজ

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • 176

বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মদিন আজ।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা সায়েরা খাতুন।

ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি প্রথমবারের মতো কারাবরণ করেন। পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ’৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তার ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দেয়। সেই বছরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক মর্মান্তিক ঘটনায় সপরিবারে নিহত হন তিনি।

পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সময়ে মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের প্রায় ১৩ বছরই তাকে বন্দি থাকতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আটটি জন্মদিন তিনি কারাগারেই কাটান।

বঙ্গবন্ধু নিজে জন্মদিন জাঁকজমকভাবে পালন করতেন না। সাধারণত দিনটি তিনি সাদামাটাভাবে কাটাতেন। পরিবারের সদস্যরা ঘরোয়া পরিবেশে শুভেচ্ছা জানাতেন, আর দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জন্মবার্ষিকী স্মরণ করতেন।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আমিন সম্পাদক জাহাঙ্গীর

বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মদিন আজ

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মদিন আজ।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান এবং মা সায়েরা খাতুন।

ব্রিটিশ শাসনামলে জন্ম নেওয়া বঙ্গবন্ধু কৈশোর থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি প্রথমবারের মতো কারাবরণ করেন। পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি তৎকালীন প্রখ্যাত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের সান্নিধ্যে আসেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ। ’৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া তার ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রামকে নতুন গতি দেয়। সেই বছরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক মর্মান্তিক ঘটনায় সপরিবারে নিহত হন তিনি।

পাকিস্তানবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন সময়ে মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের প্রায় ১৩ বছরই তাকে বন্দি থাকতে হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আটটি জন্মদিন তিনি কারাগারেই কাটান।

বঙ্গবন্ধু নিজে জন্মদিন জাঁকজমকভাবে পালন করতেন না। সাধারণত দিনটি তিনি সাদামাটাভাবে কাটাতেন। পরিবারের সদস্যরা ঘরোয়া পরিবেশে শুভেচ্ছা জানাতেন, আর দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জন্মবার্ষিকী স্মরণ করতেন।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন