ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি মাস থেকেই শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম গণমাধ্যমে বাইরের হস্তক্ষেপ ঝুঁকিপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী মাদক নির্মুলে কঠোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চার দিনে কক্সবাজারে উদ্ধার ৫০ কোটি টাকার ইয়াবা! ঈদগাঁওতে ‘শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া’ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক স্পিকারের নাম প্রায় চূড়ান্ত, ঘোষণা ২৬ তারিখের মধ্যে ‘আমিই জীবন দেই, আমিই মৃত্যু দেই, আর আমার কাছেই সবাইকে ফিরে আসতে হবে’ সেন্টমার্টিনে কেয়াবন উজাড় করে রিসোর্ট নির্মাণ,পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা বৃদ্ধ মা-বাবাকে বাঁচানো সেই রোহিঙ্গা যুবকের সাথে মেসুত ওজিলের দেখা ১৮ বছর পর বিসিএস কর্মকর্তা হলেন পেকুয়ার চিকিৎসক বেলাল চকরিয়ায় মহাসড়কে বাবা-ছেলে নিহত বিজিবি’র পৃথক অভিযান: ৩ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,আটক ১ একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন রমজানে চকরিয়ার বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান মিয়ানমারে পাচারকালে ২ বোটভর্তি সিমেন্টসহ ১৯ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি কেন বাধ্য নয়?
হেফাজতকে এনসিপি নেত্রীসহ ৬ নারীর লিগ্যাল নোটিশ

“পাবলিক স্পেসে ‘বেশ্যা’ বলার অধিকার কারও নেই”

প্রকাশ্য জনসভায় নারীর প্রতি অবমাননার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন নেত্রী ও তিন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির দুই নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা ও দ্যুতি অরণ্য চৌধুরীর দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নারী সংস্কার কমিশনকে সামনে রেখে পাবলিক স্পেসে ‘বেশ্যা’ বলার অধিকার কারও নেই—এই মর্মে আজ সোমবার দুপুরে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

সৈয়দা নীলিমা দোলা, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী ছাড়াও লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো এনসিপির আরেক নেত্রীর নাম নীলা আফরোজ। অন্যদিকে আরও তিনজন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিগ্যাল নোটিশে স্বাক্ষর করেন, তাঁরা হলেন উম্মে রায়হানা, উম্মে ফারহানা ও ক্যামেলিয়া শারমিন চূড়া।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নারীদের প্রতি এই ধরনের নিপীড়নের সুযোগ নতুন বাংলাদেশে নেই। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেই সুযোগ একেবারেই থাকছে না। জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই নতুন বাংলাদেশ সবার হবে।

এতে আরও বলা হয়, সরকারের প্রস্তাবে যাঁরা নারী সংস্কার কমিশন গঠন করতে গিয়েছেন এবং কাজ করেছেন, তাঁদের এ ধরনের অপমান বাংলাদেশের নারীদের জন্য ভয়ংকর। নারীর স্বাধীনতা ও জীবনমানের ওপর যে প্রস্তাব বানানো হয়েছে, সেটি নিয়ে দ্বিমত পোষণের সুযোগ থাকছে, কিন্তু গালি দেওয়ার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামকে আওয়ামীসংশ্লিষ্ট সংগঠন উল্লেখ করে এই সংগঠন কীভাবে জনসম্মুখে সমাবেশ করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় এতে।

বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ইসলামি যে আইন দেশে আছে, সে অনুযায়ী কী হেফাজতের নেতারা তাঁদের পরিবারের নারীদের সম্পত্তি দিয়েছেন?

এনসিপি নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা লিগ্যাল নোটিশের বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে যে কারও দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু এভাবে একটি পাবলিক সমাবেশে নারীদের বেশ্যা বলা যাবে না। এটা নারীদের অধিকার ও লড়াইয়ের প্রতি অবমাননা। কত নারী আমাদের আশপাশে নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের আমরা কী বার্তা দিচ্ছি। আমাদের দলীয় অবস্থানও এটার বিপক্ষে। এটা একধরনের নিপীড়ন।’

সূত্র: আজকের পত্রিকা

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চলতি মাস থেকেই শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম

This will close in 6 seconds

হেফাজতকে এনসিপি নেত্রীসহ ৬ নারীর লিগ্যাল নোটিশ

“পাবলিক স্পেসে ‘বেশ্যা’ বলার অধিকার কারও নেই”

আপডেট সময় : ০৮:২৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

প্রকাশ্য জনসভায় নারীর প্রতি অবমাননার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন নেত্রী ও তিন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির দুই নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা ও দ্যুতি অরণ্য চৌধুরীর দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নারী সংস্কার কমিশনকে সামনে রেখে পাবলিক স্পেসে ‘বেশ্যা’ বলার অধিকার কারও নেই—এই মর্মে আজ সোমবার দুপুরে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

সৈয়দা নীলিমা দোলা, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী ছাড়াও লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো এনসিপির আরেক নেত্রীর নাম নীলা আফরোজ। অন্যদিকে আরও তিনজন নারী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লিগ্যাল নোটিশে স্বাক্ষর করেন, তাঁরা হলেন উম্মে রায়হানা, উম্মে ফারহানা ও ক্যামেলিয়া শারমিন চূড়া।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নারীদের প্রতি এই ধরনের নিপীড়নের সুযোগ নতুন বাংলাদেশে নেই। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেই সুযোগ একেবারেই থাকছে না। জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই নতুন বাংলাদেশ সবার হবে।

এতে আরও বলা হয়, সরকারের প্রস্তাবে যাঁরা নারী সংস্কার কমিশন গঠন করতে গিয়েছেন এবং কাজ করেছেন, তাঁদের এ ধরনের অপমান বাংলাদেশের নারীদের জন্য ভয়ংকর। নারীর স্বাধীনতা ও জীবনমানের ওপর যে প্রস্তাব বানানো হয়েছে, সেটি নিয়ে দ্বিমত পোষণের সুযোগ থাকছে, কিন্তু গালি দেওয়ার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামকে আওয়ামীসংশ্লিষ্ট সংগঠন উল্লেখ করে এই সংগঠন কীভাবে জনসম্মুখে সমাবেশ করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় এতে।

বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ইসলামি যে আইন দেশে আছে, সে অনুযায়ী কী হেফাজতের নেতারা তাঁদের পরিবারের নারীদের সম্পত্তি দিয়েছেন?

এনসিপি নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা লিগ্যাল নোটিশের বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে যে কারও দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু এভাবে একটি পাবলিক সমাবেশে নারীদের বেশ্যা বলা যাবে না। এটা নারীদের অধিকার ও লড়াইয়ের প্রতি অবমাননা। কত নারী আমাদের আশপাশে নিপীড়িত হচ্ছে, তাদের আমরা কী বার্তা দিচ্ছি। আমাদের দলীয় অবস্থানও এটার বিপক্ষে। এটা একধরনের নিপীড়ন।’

সূত্র: আজকের পত্রিকা