ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হত্যাচেষ্টা মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ১ কোটি কানাডিয়ান ডলার দিচ্ছে কানাডা সশস্ত্র বাহিনীকে বহিঃশক্তি সমীহ করবে, জনগণ আস্থায় রাখবে: প্রধানমন্ত্রী আশা ভোসলে মারা গেছেন হাম মোকাবিলায় সরকার বদ্ধপরিকর : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নদীতে ফুল দিয়ে শুরু হলো পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু’ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের ঝুঁকি: অবশেষে চালু হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ড মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি নাইক্ষ্যংছড়িতে দুটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, রোহিঙ্গা যুবকসহ আটক ২ অবৈধ পন্থায় উত্তোলন হচ্ছিলো বালি, অভিযানে মালামালসহ জব্দ ঝিলংজায় মাথা ও হাতের কবজিবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার প্রতিবাদ এক সাথে বিনা খরচে ঘর বাঁধলো চার দম্পতি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির জেলা কমিটি গঠন টেকনাফে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার বিজিবির

কুমিল্লায় তনু হত্যা: ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার কুমিল্লার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এই আদেশ দেন বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম জানান।
সন্দেহভাজন তিনজনের নাম বলেননি তদন্ত কর্মকর্তা।

আদালত থেকে জানা যায়, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেয়া হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার আবেদন দেন।

আদালতের আদেশের পর তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলি পরে আর ক্রস ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ করতে।”

তিনি বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছে আদালত। মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেনও আদেশের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে থাকার সময় বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতার আসল তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ে হত্যার বিচার চাইবো। আমি মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছি।”

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি।

প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

 

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যাচেষ্টা মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন

কুমিল্লায় তনু হত্যা: ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৬:১৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় ১০ বছর পর সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার কুমিল্লার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হক এই আদেশ দেন বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম জানান।
সন্দেহভাজন তিনজনের নাম বলেননি তদন্ত কর্মকর্তা।

আদালত থেকে জানা যায়, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে আদালত থেকে পিবিআইকে চিঠি দেয়া হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার আবেদন দেন।

আদালতের আদেশের পর তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “আগেই তনুর ব্যবহারের কিছু কাপড় থেকে তিনজন ব্যক্তির ডিএনএ প্রোফাইল করা হয়। এগুলি পরে আর ক্রস ম্যাচিং করা হয়নি। তাই আজ আদালত বলেছে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ করতে।”

তিনি বলেন, মামলার পরবর্তী তারিখে তদন্তের অগ্রগতি জানাতে বলেছে আদালত। মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেনও আদেশের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে থাকার সময় বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতার আসল তনু হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ে হত্যার বিচার চাইবো। আমি মেয়ের ছবি নিয়ে ঘুরছি।”

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি।

প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

 

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম