ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারগামী ট্রেনে দুষ্কৃতকারীদের পাথর নিক্ষেপে শিশু আহত ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নেই, কক্সবাজারেও ভোগান্তি আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল অর্জন করলেন টেকনাফের সাউদা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারবে না – উখিয়ায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছেন ইইউ’র ৫৬ পর্যবেক্ষক দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল, নতুনভাবে গঠন জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে- কক্সবাজারে আদিলুর রহমান খান ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি শুরু হোয়াইক্যং সীমান্তের চিংড়ি ঘের থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার পেকুয়ায় লবণ চাষিকে কুপিয়ে আহতের অভিযোগ সীমান্তে মা ই ন বি স্ফো র ণে এক পা হারানো হানিফের অন্য পা নিয়েও শঙ্কা

কাজা নামাজ রোজা আদায় করার নিয়ম

কাজা নামাজ আদায়ের সময়ও সাধারণ নামাজের মতোই সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা পড়তে হবে। কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই। নামাজ কাজা হলেও আদায় করতে হবে। যদিও ইচ্ছাকৃত নামাজ কাজা করলে গুনাহগার হতে হয়।

ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতা অথবা না জানার কারণে যেসব নামাজ রোজা করা হয়নি, সেগুলো এখন অবশ্যই কাজা করতে হবে। প্রথমে নামাজ ও রোজার ভিন্ন ভিন্ন হিসাব করুন। এরপর প্রতি ওয়াক্তে দুই পদ্ধতিতে নামাজের কাজা আদায় করতে পারেন।

১. দিনে রাতে (তিনটি হারাম ওয়াক্ত বাদ দিয়ে) যখনই সম্ভব হয় ফজর নামাজ পড়তে থাকুন। কয়েক মাস অথবা দুই এক বছরের মধ্যে ফজর শেষ হলে যোহর পড়তে থাকুন। এভাবে পাঁচ ওয়াক্ত শেষ করুন।

২. আরেকটি পদ্ধতি হলো, যেই ওয়াক্তে সুযোগ হয় ঐ ওয়াক্তের নামাজ কাজা আদায় করুন। যেমন ফজরের সময় ফজর, জোহরের সময় জোহর। এভাবেও করা যেতে পারে।

শীতের মৌসুমে অতীত জীবনের কাজা রোজা আদায় করার জন্য উপযুক্ত সময়। প্ল্যান করে ধীরে ধীরে অতীতের নামাজ ও রোজাগুলো কাজা আদায় করে শেষ করুন।

কাজা রোজার বিধান

যে ব্যক্তি কোনো বৈধ বা অবৈধ কারণে রোজা রাখতে পারেনি, তাকে সেই রোজার কাজা করতে হবে। ১. নিয়ত: ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করতে হবে। মনে মনে এই নিয়ত করা যথেষ্ট। যেমন, ‘আমি আগামীকাল কাজা রোজা রাখছি।’ ২. সাধারণ রোজার মতো: কাজা রোজার সময়েও সাধারণ রোজার নিয়মগুলো পালন করতে হবে। সুবহে সাদিক (ভোর) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

তাড়াহুড়া নয়, যেকোনো কারণে কাজা হয়ে গেলে, তা দ্রুত আদায় করা উত্তম, তবে এটি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে করাও বৈধ। বেশি নামাজের কাজা: একাধিক নামাজ কাজা হলে, প্রথমে সেগুলির হিসাব ধরে নামাজ আদায় করতে হবে।

কাজা না করে মৃত্যুবরণ

যদি কেউ কাজা নামাজ বা রোজা রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তার পরিবার বা উত্তরাধিকারীরা দান-সদকা করে তার পাপমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারগামী ট্রেনে দুষ্কৃতকারীদের পাথর নিক্ষেপে শিশু আহত

This will close in 6 seconds

কাজা নামাজ রোজা আদায় করার নিয়ম

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কাজা নামাজ আদায়ের সময়ও সাধারণ নামাজের মতোই সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা পড়তে হবে। কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই। নামাজ কাজা হলেও আদায় করতে হবে। যদিও ইচ্ছাকৃত নামাজ কাজা করলে গুনাহগার হতে হয়।

ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতা অথবা না জানার কারণে যেসব নামাজ রোজা করা হয়নি, সেগুলো এখন অবশ্যই কাজা করতে হবে। প্রথমে নামাজ ও রোজার ভিন্ন ভিন্ন হিসাব করুন। এরপর প্রতি ওয়াক্তে দুই পদ্ধতিতে নামাজের কাজা আদায় করতে পারেন।

১. দিনে রাতে (তিনটি হারাম ওয়াক্ত বাদ দিয়ে) যখনই সম্ভব হয় ফজর নামাজ পড়তে থাকুন। কয়েক মাস অথবা দুই এক বছরের মধ্যে ফজর শেষ হলে যোহর পড়তে থাকুন। এভাবে পাঁচ ওয়াক্ত শেষ করুন।

২. আরেকটি পদ্ধতি হলো, যেই ওয়াক্তে সুযোগ হয় ঐ ওয়াক্তের নামাজ কাজা আদায় করুন। যেমন ফজরের সময় ফজর, জোহরের সময় জোহর। এভাবেও করা যেতে পারে।

শীতের মৌসুমে অতীত জীবনের কাজা রোজা আদায় করার জন্য উপযুক্ত সময়। প্ল্যান করে ধীরে ধীরে অতীতের নামাজ ও রোজাগুলো কাজা আদায় করে শেষ করুন।

কাজা রোজার বিধান

যে ব্যক্তি কোনো বৈধ বা অবৈধ কারণে রোজা রাখতে পারেনি, তাকে সেই রোজার কাজা করতে হবে। ১. নিয়ত: ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করতে হবে। মনে মনে এই নিয়ত করা যথেষ্ট। যেমন, ‘আমি আগামীকাল কাজা রোজা রাখছি।’ ২. সাধারণ রোজার মতো: কাজা রোজার সময়েও সাধারণ রোজার নিয়মগুলো পালন করতে হবে। সুবহে সাদিক (ভোর) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

তাড়াহুড়া নয়, যেকোনো কারণে কাজা হয়ে গেলে, তা দ্রুত আদায় করা উত্তম, তবে এটি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে করাও বৈধ। বেশি নামাজের কাজা: একাধিক নামাজ কাজা হলে, প্রথমে সেগুলির হিসাব ধরে নামাজ আদায় করতে হবে।

কাজা না করে মৃত্যুবরণ

যদি কেউ কাজা নামাজ বা রোজা রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তার পরিবার বা উত্তরাধিকারীরা দান-সদকা করে তার পাপমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে।