ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নেই, কক্সবাজারেও ভোগান্তি আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল অর্জন করলেন টেকনাফের সাউদা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ সীমান্ত লঙ্ঘন করতে পারবে না – উখিয়ায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান বাংলা চ্যানেল পাড়ি ২ নারীসহ ৩৫ সাঁতারুর গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছেন ইইউ’র ৫৬ পর্যবেক্ষক দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড বাতিল, নতুনভাবে গঠন জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে- কক্সবাজারে আদিলুর রহমান খান ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি শুরু হোয়াইক্যং সীমান্তের চিংড়ি ঘের থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার পেকুয়ায় লবণ চাষিকে কুপিয়ে আহতের অভিযোগ সীমান্তে মা ই ন বি স্ফো র ণে এক পা হারানো হানিফের অন্য পা নিয়েও শঙ্কা মানব পাচারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলি, টেকনাফে গুলিবিদ্ধ কিশোরীর মৃত্যু

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতিকে শহীদ মিনারে না আসার আহ্বান

জুলাই ও আগস্টে গণহত্যা চলার সময়ে নীরবতা পালন করায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না আসার আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে চলমান গণঅবস্থান থেকে এ ঘোষণা দেন জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত প্রথম ছাত্র সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই-বোনকে হারিয়েছি। কিন্তু পুরো ঘটনার সময় রাষ্ট্রপতি চুপ করে ছিলেন। এছাড়া এটিও কারো অজানা নয় যে তিনি হাসিনার অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ এমপিদের ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। একে একে হাসিনা অন্যরা পালিয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাসিনার এমপিরাও পালিয়ে গেছে। অথচ রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বহাল রয়েছেন। ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হলেও তিনি সরে যাননি। কিন্তু তাকে জনগণও মেনে নেয়নি। তিনি স্রেফ কায়েমি স্বার্থবাদীদের মদদে টিকে রয়েছেন।

আবদুল ওয়াহেদ বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, সাহাবুদ্দিনকে জনগণ জনপরিসরে দেখতে চায় না। তার উচিত বঙ্গভবনের চার দেয়ালের ভেতরে থেকেই জুলাইয়ে নিজের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। ফ্যাসিবাদীদের সবার পতনের পর নিজের টিকে থাকার অনর্থকতা অনুধাবন করা। আশা করছি তিনি বিদায়ের তাগিদ বুঝতে পারবেন।

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক বলেন, আমাদের দাবি হলো ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখবেন না। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবেন না।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগ ও দলটির মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান কর্মসূচি চলছে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো. ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের অনশনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে এতে সম্পৃক্ত হয় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।

১৬ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ীর শহীদ রানা তালুকদারের পরিবার এ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান। তার অনুরোধে অনশন ভেঙে লাগাতার গণঅবস্থান চলছে।

গণবক্তৃতা, আবৃত্তি, জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, কবিতা আবৃত্তি ও র‍্যাপ সঙ্গীত পরিবেশনসহ নানা আয়োজনে চলছে এ কর্মসূচি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস নেই, কক্সবাজারেও ভোগান্তি

This will close in 6 seconds

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতিকে শহীদ মিনারে না আসার আহ্বান

আপডেট সময় : ০২:০৮:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জুলাই ও আগস্টে গণহত্যা চলার সময়ে নীরবতা পালন করায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে না আসার আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ছাত্র পরিষদ।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে চলমান গণঅবস্থান থেকে এ ঘোষণা দেন জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত প্রথম ছাত্র সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে আমরা দুই হাজারেরও বেশি ভাই-বোনকে হারিয়েছি। কিন্তু পুরো ঘটনার সময় রাষ্ট্রপতি চুপ করে ছিলেন। এছাড়া এটিও কারো অজানা নয় যে তিনি হাসিনার অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ এমপিদের ভোটে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। একে একে হাসিনা অন্যরা পালিয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাসিনার এমপিরাও পালিয়ে গেছে। অথচ রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বহাল রয়েছেন। ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি জানানো হলেও তিনি সরে যাননি। কিন্তু তাকে জনগণও মেনে নেয়নি। তিনি স্রেফ কায়েমি স্বার্থবাদীদের মদদে টিকে রয়েছেন।

আবদুল ওয়াহেদ বলেন, আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই, সাহাবুদ্দিনকে জনগণ জনপরিসরে দেখতে চায় না। তার উচিত বঙ্গভবনের চার দেয়ালের ভেতরে থেকেই জুলাইয়ে নিজের ভূমিকা পর্যালোচনা করা। ফ্যাসিবাদীদের সবার পতনের পর নিজের টিকে থাকার অনর্থকতা অনুধাবন করা। আশা করছি তিনি বিদায়ের তাগিদ বুঝতে পারবেন।

বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক বলেন, আমাদের দাবি হলো ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জুলাই বিপ্লবের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পা রাখবেন না। তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আসবেন না।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগ ও দলটির মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গণঅবস্থান কর্মসূচি চলছে।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দুই নেতা মো. ওমর ফারুক ও আবু সাঈদের অনশনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে এতে সম্পৃক্ত হয় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের নেতাকর্মীরা।

১৬ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ীর শহীদ রানা তালুকদারের পরিবার এ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান। তার অনুরোধে অনশন ভেঙে লাগাতার গণঅবস্থান চলছে।

গণবক্তৃতা, আবৃত্তি, জুলাই গণহত্যার তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, কবিতা আবৃত্তি ও র‍্যাপ সঙ্গীত পরিবেশনসহ নানা আয়োজনে চলছে এ কর্মসূচি।