ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যেসব আসনে জামায়াতের এমপি, সেখানে সারের কৃত্রিম সংকট: শাহে আলম এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা যখন সময় হবে, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর হবে: দীনেশ ত্রিবেদী বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সংকেত রামু সহিংসতার ১৪ বছর: বিচারের দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ছে হতাশা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সৎ পিতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারালো ৬ বছরের পুত্র অক্টোবরে কক্সবাজার আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – জেলা প্রশাসক কবি অমিত চৌধুরী’র প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কক্সবাজারে ১২০ কেজি তামার তার ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২১, আটক ২৫ কিশোর গ্যাং সদস্য খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছে- শাহাদাত বার্ষিকীতে সহিদুজ্জামান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত ২৬ মামলার আসামি চকরিয়ার নবী হোসেন মহেশখালীতে গ্রেফতার রামু উপজেলা বিআরডিবির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল বশর বাবু  জেদ্দা থেকে মদিনার পথে দুর্ঘটনা, সড়কে নিভে গেল লোহাগাড়ার শওকতের প্রাণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল চালু, অক্টোবরে উড়বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, ২ লাখ পিস উদ্ধার

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

যেসব আসনে জামায়াতের এমপি, সেখানে সারের কৃত্রিম সংকট: শাহে আলম

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।