ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় মাদক কেনার সময় যুবক আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে ৩ দিনের পর্যটন মেলা সদরে থানার অভিযানে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জন গ্রেপ্তার আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় সাবেক এমপি জাফর আলমকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের আদেশ ভারুয়াখালীতে গভীর রাতে খামার থেকে গরু চুরি দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার দাবিতে লামায় বিএনপির মিছিল টেকনাফে নৈশপ্রহরী নাজির হোসেন হত্যা মামলার আসামি আইয়ুব গ্রেপ্তার উখিয়ায় সমুদ্র সৈকতে ভেসে এলো তিন অজ্ঞাত মরদেহ খেলা শেষে নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোর উখিয়ায় পাহাড় কাটতে বাধা দেওয়ায় বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা, আহত ২ কুতুবদিয়ায় ৯৩২ কোটি টাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ হবে-পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী পেকুয়া-কুতুবদিয়ায় দ্রুত সংস্কার হবে বেড়িবাঁধ-স্লুইসগেট: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ১৮০ দিনে বিচার না হলেও নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা বাতিল হবে না: হাইকোর্ট

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় মাদক কেনার সময় যুবক আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।