ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে দাতা সদস্য নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক হাফিজ গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।