ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যা মামলার আসামীকে দিয়ে সিআইসির শতাধিক ঘর নির্মাণ! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যা মামলার আসামীকে দিয়ে  সিআইসির শতাধিক ঘর নির্মাণ! বিএনপি এমন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে যেখানে কোনো মানুষ গুম হবেনা- সালাহউদ্দিন আহমদ টেকনাফে নৌ অঞ্চল কমান্ডার -গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ করতে নৌবাহিনী বদ্ধপরিকর নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র : রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস ‘ইন্টারনেট বন্ধ করার কারণেই মহাশক্তিশালী সরকারের পতন ঘটেছিল’ ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের ভূমিধস বিজয় হবে: সালাহউদ্দিন স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৬৯ হাজার ভারতে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নিহত ভারতের পার্লামেন্টে শ্রদ্ধা জানানো হবে খালেদা জিয়াকে টেকনাফে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ছয় কৃষক অপহৃত সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার বিরোধিতা: প্যাথলজি রিপোর্টে স্বাক্ষরের দাবিতে সমাবেশ কুতুবদিয়া সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন আমরা ক্ষমতায় গেলে কারো প্রতি অন্যায় করব না-অধ্যক্ষ আনোয়ারী

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যা মামলার আসামীকে দিয়ে সিআইসির শতাধিক ঘর নির্মাণ!

This will close in 6 seconds

উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে যৌথ বাহিনীর অভিযান- “আমরা পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি”

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের গহীন জঙ্গলে মাদক নির্মূল ও অপহরণ প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‍্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, এপিবিএন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ও বন বিভাগের ৪৬৭ জনের যৌথ বাহিনী। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাজা, ২টি এলজি, ১টি ওয়ান শুটার গান, ১১টি গুলি, ১টি অস্ত্র তৈরীর যন্ত্রাংশ, ৪টি রামদা, ২টি ছুরি, ১টি চাকু, ৩টি কিরিজ।

বৃহস্পতিবার (০৮ মে) সকাল থেকে টেকনাফের রঙ্গীখালী পাহাড়ি এলাকায় অভিযানে যায় যৌথ বাহিনী।

অভিযান শেষে দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান জানান, গত ৩ মাসে কক্সবাজার জেলায় চল্লিশটির মত অপরহণের ঘটনা ঘটেছে। তন্মধ্যে ৩০ টির মত ঘটনা শুধু এই দুই উপজেলা টেকনাফ ও উখিয়াতে সংঘটিত হয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে উপজেলা দু’টিতে অপহরণকারীরা সাধারণত ভিকটিমদেরকে উখিয়ার জালিয়া পালং, শামলাপুর, কুটুমগুহা এবং টেকনাফের রঙ্গীখালী, আলীখালী ও জালিয়া পাড়ার গহীন অরণ্যে রাখে। অত্র গহীন এলাকাগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক দুর্গম হওয়াতে সন্ত্রাসী/ডাকাতগণ তাদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে। এই গহীন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী/ডাকাতদের আস্তানা সমূলে ধ্বংস এবং মাদকের রুট বন্ধ করার উদ্দেশ্যে আমরা আজকে র‌্যাব ও অন্যান্য বাহিনীর পাঁচ শতাধিক ফোর্স নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করি, যেখানে র‌্যাবের পাশাপাশি কর্মরত সকল বাহিনীর সদস্য যেমন সেনাবাহিনী, বিজিবি, এপিবিএন, পুলিশ এবং বনবিভাগের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সাঁড়াশি অভিযানে আমরা সন্ত্রাসীদের কর্তৃক ব্যবহৃত কয়েকটি অস্থায়ী টংঘর/কটেজের সন্ধান পাই।

অপহরণকারীদের বার্তা দেয়াই ছিলো অভিযানের উদ্দেশ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করে বার্তা দিয়েছি। আমরা এখন পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি। এছাড়াও ৩০ জনের একটি তালিকা তৈরির কথাও জানিয়েছে অভিযানকারী দলে থাকা র‍্যাবের এই কর্মকর্তা। যাদের গ্রেফতারে পাহাড়ে ফের অভিযানের কথা জানান তিনি।

এই অভিযানে ড্রোন উড়ানোসহ দুই একটি টংঘর পুড়িয়ে দেয়ার ছবি-ফুটেজ সরবারাহ করা হয়ে র‍্যাবের পক্ষ থেকে। এসব টংঘর অপহরণকারীদের বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীটি। এলাকাগুলোতে পুনরায় সন্ত্রাসী/ডাকাতদের নিরাপদ আশ্রয় না হতে পারে সেজন্য নিয়মিত ব্যবধানে এখানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানানো হয় র‍্যাবের পক্ষ থেকে।