ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে ২০ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএনের কনস্টেবল আটক কক্সবাজারে জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের উদ্যোগে মে দিবস পালিত ‘আঁকো তোমার শহর’—শিল্পচর্চায় নতুন ভাবনা অমরণি ফুলের কুতুবদিয়ায় অটো রিক্সার গ্যারেজে আগুন: পুড়ে গেছে ২২ টি টমটম অপহরণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতার পুত্র তুহিন কারাগারে এআরএ-আরএসও সংঘর্ষ, সীমান্তে আতঙ্ক ট্রাকের ধাক্কায় রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু উখিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার “অধ্যক্ষ স.আ.ম. শামসুল হুদা চৌধুরী” যার আলোয় আলোকিত জনপদ নতুন কুড়িঁ স্পোর্টস উদ্বোধন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা: জেলায় নিবন্ধন করেছে ৩ হাজার ৩৫২ জন কক্সবাজারে নানান আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত ১৩ মাস পর টেকনাফ স্থলবন্দরে সীমান্ত বাণিজ্য শুরু: মিয়ানমার থেকে এলো কাঠ বোঝাই বোট কক্সবাজারে এসএসসি পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল প্রতারণা চক্রের হোতা গ্রেফতার শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর সরকার: রাষ্ট্রপতি দুপুরের মধ্যে কক্সবাজারসহ ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।