ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী চাকরিতে অর্জিত পদোন্নতির অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না: হাইকোর্ট

ইনজুরি নিয়েই মাঠে নেইমার, গোল-অ্যাসিস্টে জয় পেল সান্তোস

সান্তোসের মেডিকেল টিম সাফ জানিয়ে দিয়েছিল—এ অবস্থায় মাঠে নামা যাবে না। তবু সব সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইনজুরি নিয়েই খেলতে নামলেন নেইমার। শুধু নামাই নয়, পুরো ৯০ মিনিট দাপিয়ে খেলে গোল ও অ্যাসিস্টে দলকে টেনে তুললেন অবনমন অঞ্চলের দুঃস্বপ্ন থেকে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে ব্রাজিলিয়ান লিগে স্পোর্তকে ৩–০ ব্যবধানে হারায় সান্তোস। ঘরের মাঠে এ জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে নেইমার।

গত ২০ নভেম্বর মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচে বাঁ পায়ের হাঁটুর পুরনো মেনিস্কাস ইনজুরির ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। অস্ত্রোপচার করালে মৌসুম শেষ হয়ে যেত—এটা জানার পরও সে পথ নেননি ৩৩ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বারবার ইনজুরিতে ভোগা নেইমার এবার ঠিক করলেন ঝুঁকি নেবেন, খেলবেন।

ইএসপিএন ব্রাজিল জানায়, সান্তোসের চিকিৎসকরা তার মাঠে নামার বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে ডাগআউট থেকে দলের পয়েন্ট খোয়ানোর দৃশ্য দেখার পর পরিস্থিতি আর সহ্য করতে পারেননি নেইমার। দল তখন অবনমন জোনে। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার তাগিদও যে আছে, তাও অস্বীকার করার উপায় নেই।

অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত—ইনজুরি নিয়েই মাঠে নামলেন নেইমার। শুরু থেকেই আক্রমণে ধরে রাখলেন স্পোর্ত রক্ষণভাগকে। ১২ মিনিটে তাঁর দারুণ পাস থেকেও গোলের দেখা পায়নি সান্তোস। পাঁচ মিনিট পর আবারো রুখে দেন স্পোর্ত গোলরক্ষক। কিন্তু ২৫ মিনিটে আর থামতে পারেননি নেইমার। গিলহের্মের পাস বক্সে নিয়েই চার ডিফেন্ডার ঘুরিয়ে লক্ষ্যে পাঠান জোরালো শট—সান্তোস পায় লিড।

৩৪ মিনিটে তাঁর নিখুঁত কোণাকুণি শট ঠেকিয়ে দেন স্পোর্ত গোলরক্ষক। কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজেদের ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অতিথিরা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও একবার নেইমারের শট রুখে দেন গ্যাব্রিয়েল।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট ধরে রাখে সান্তোস। ৬৭ মিনিটে বাঁ দিক থেকে নেইমারের তোলা কর্নার ছয় গজ দূরে পেয়ে হেডে জাল খুঁজে নেন জোয়াও শমিদ—৩–০।

৯০তম মিনিটে বদলি হয়ে যান নেইমার। ততক্ষণে ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত। যোগ করা সময়ে আর কোনো গোল না হলেও সান্তোস ধরে রাখে বড় জয়।

এই জয়ে ৩৬ ম্যাচ শেষে সান্তোসের ঝুলিতে ৪১ পয়েন্ট। অবনমন অঞ্চল থেকে উঠে এসেছে তারা। মৌসুমের শেষ দুই ম্যাচ জুভেনতুদে ও ক্রুইজেরোর বিপক্ষে—রেলিগেশন এড়াতে লড়াই এখনও বাকি।

সূত্র: ইত্তেফাক

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ

ইনজুরি নিয়েই মাঠে নেইমার, গোল-অ্যাসিস্টে জয় পেল সান্তোস

আপডেট সময় : ০১:১৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

সান্তোসের মেডিকেল টিম সাফ জানিয়ে দিয়েছিল—এ অবস্থায় মাঠে নামা যাবে না। তবু সব সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ইনজুরি নিয়েই খেলতে নামলেন নেইমার। শুধু নামাই নয়, পুরো ৯০ মিনিট দাপিয়ে খেলে গোল ও অ্যাসিস্টে দলকে টেনে তুললেন অবনমন অঞ্চলের দুঃস্বপ্ন থেকে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে ব্রাজিলিয়ান লিগে স্পোর্তকে ৩–০ ব্যবধানে হারায় সান্তোস। ঘরের মাঠে এ জয়ের নায়ক নিঃসন্দেহে নেইমার।

গত ২০ নভেম্বর মিরাসোলের বিপক্ষে ম্যাচে বাঁ পায়ের হাঁটুর পুরনো মেনিস্কাস ইনজুরির ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। অস্ত্রোপচার করালে মৌসুম শেষ হয়ে যেত—এটা জানার পরও সে পথ নেননি ৩৩ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বারবার ইনজুরিতে ভোগা নেইমার এবার ঠিক করলেন ঝুঁকি নেবেন, খেলবেন।

ইএসপিএন ব্রাজিল জানায়, সান্তোসের চিকিৎসকরা তার মাঠে নামার বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে ডাগআউট থেকে দলের পয়েন্ট খোয়ানোর দৃশ্য দেখার পর পরিস্থিতি আর সহ্য করতে পারেননি নেইমার। দল তখন অবনমন জোনে। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার তাগিদও যে আছে, তাও অস্বীকার করার উপায় নেই।

অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত—ইনজুরি নিয়েই মাঠে নামলেন নেইমার। শুরু থেকেই আক্রমণে ধরে রাখলেন স্পোর্ত রক্ষণভাগকে। ১২ মিনিটে তাঁর দারুণ পাস থেকেও গোলের দেখা পায়নি সান্তোস। পাঁচ মিনিট পর আবারো রুখে দেন স্পোর্ত গোলরক্ষক। কিন্তু ২৫ মিনিটে আর থামতে পারেননি নেইমার। গিলহের্মের পাস বক্সে নিয়েই চার ডিফেন্ডার ঘুরিয়ে লক্ষ্যে পাঠান জোরালো শট—সান্তোস পায় লিড।

৩৪ মিনিটে তাঁর নিখুঁত কোণাকুণি শট ঠেকিয়ে দেন স্পোর্ত গোলরক্ষক। কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজেদের ভুলে দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে অতিথিরা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও একবার নেইমারের শট রুখে দেন গ্যাব্রিয়েল।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট ধরে রাখে সান্তোস। ৬৭ মিনিটে বাঁ দিক থেকে নেইমারের তোলা কর্নার ছয় গজ দূরে পেয়ে হেডে জাল খুঁজে নেন জোয়াও শমিদ—৩–০।

৯০তম মিনিটে বদলি হয়ে যান নেইমার। ততক্ষণে ম্যাচ প্রায় নিশ্চিত। যোগ করা সময়ে আর কোনো গোল না হলেও সান্তোস ধরে রাখে বড় জয়।

এই জয়ে ৩৬ ম্যাচ শেষে সান্তোসের ঝুলিতে ৪১ পয়েন্ট। অবনমন অঞ্চল থেকে উঠে এসেছে তারা। মৌসুমের শেষ দুই ম্যাচ জুভেনতুদে ও ক্রুইজেরোর বিপক্ষে—রেলিগেশন এড়াতে লড়াই এখনও বাকি।

সূত্র: ইত্তেফাক