ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত

চকরিয়ায় সওজের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ

সাইফুল ইসলাম সাইফ,চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের জায়গা দখল করে দোকান ও মার্কেট নির্মাণের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। উপজেলার হারবাং, বরইতলি, লক্ষ্যারচরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সওজের জমি দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলেছেন একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি। এসব স্থাপনা ভাড়া দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন তারা।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জিদ্দাবাজার এলাকায় সওজের জায়গা বালি দিয়ে ভরাট করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি জসিম উদ্দীন ও ডা. রমিজ। জমি ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে জসিম উদ্দীন জানান, তারা চকরিয়া সওজ অফিস থেকে অনুমতি নিয়েই জমি ভরাট করেছেন। এছাড়া সরকারি জমি দখলে কোনো সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে চকরিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “সওজের জমি ভরাটের অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জসিম উদ্দীন ও ডা. রমিজকে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সওজের কিছু অসাধু কর্মচারী অর্থের বিনিময়ে দখলদারদের সহযোগিতা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সরকারি জমি দখল ও বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।

উপজেলার সচেতন মহল সওজের জায়গা দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী

চকরিয়ায় সওজের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সাইফুল ইসলাম সাইফ,চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের জায়গা দখল করে দোকান ও মার্কেট নির্মাণের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। উপজেলার হারবাং, বরইতলি, লক্ষ্যারচরসহ বেশ কয়েকটি স্থানে সওজের জমি দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলেছেন একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি। এসব স্থাপনা ভাড়া দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছেন তারা।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের জিদ্দাবাজার এলাকায় সওজের জায়গা বালি দিয়ে ভরাট করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি জসিম উদ্দীন ও ডা. রমিজ। জমি ভরাটের বিষয়ে জানতে চাইলে জসিম উদ্দীন জানান, তারা চকরিয়া সওজ অফিস থেকে অনুমতি নিয়েই জমি ভরাট করেছেন। এছাড়া সরকারি জমি দখলে কোনো সমস্যা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে চকরিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “সওজের জমি ভরাটের অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। দখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে জসিম উদ্দীন ও ডা. রমিজকে জায়গা খালি করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সওজের কিছু অসাধু কর্মচারী অর্থের বিনিময়ে দখলদারদের সহযোগিতা করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সরকারি জমি দখল ও বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।

উপজেলার সচেতন মহল সওজের জায়গা দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।