ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার শহর থেকে ময়লার ভাগাড় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান: লিংকরোড ও কলাতলীর দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রিসোর্ট ইস্যু নিয়ে বিরোধ : এমপি কাজল-সরওয়ারের সমঝোতার উদ্যোগ, হয়নি প্রতিবাদ মিছিল একনেকে ৯৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন আরাকান আর্মির হাতে জিম্মি ২৪ জেলে দেশে ফিরলেন ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন দীপু মনি হুমকির ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডির আবেদন পিটার সাইফুলের শ্রম সহযোগিতা নি‌য়ে কাতারের মন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে: তথ্যমন্ত্রী কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৯ বাংলাদেশি ক্ষণস্থায়ী ঝড়ে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে নাজিরার টেক শুঁটকি পল্লীর ব্যবসায়ীরা ‎৭ মাসেও আটক হয়নি লাইট হাউজের মাসুূদ হত্যার প্রধান আসামী জাহেদ : আরেক আসামী সাকিবের শুনানি বুধবার সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন হালিমা খাতুন মামলার আসামী করা দুবাইয়ে অবস্থান করা মিল্কীর প্রতিবাদ

বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) বকেয়া অর্থের একাংশ পরিশোধ করার পর প্রতিবেশী এই দেশটিতে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। বিপিডিবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল করিম নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনকে রিয়াজুল করিম বলেন, “আমরা আদানি গ্রুপকে নিয়মিত তাদের পাওনা পরিশোধ করছি এবং আদানি গ্রুপও আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।”

প্রায় সাড়ে চার মাস পর বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি গ্রুপ। কী পরিমাণ অর্থ বকেয়া ছিল এবং সেই বকেয়া অর্থের মধ্যে কত পরিশোধ হয়েছে— সে সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি বিপিডিবি চেয়ারম্যান, তবে আদানি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা অর্থ জমেছিল ৮৫ কোটি রুপি। তার মধ্যে ৫ কোটি রুপি পরিশোধ করেছে বিপিডিবি এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বাকি অর্থ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শোধ করা হবে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আদানি গ্রুপ নির্মাণ করেছে, সেটি তৈরির এক মাত্র উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলেপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে (বিপিডিসি) একটি চুক্তি করেছিল আদানি গ্রুপ।

চুক্তির শর্ত ছিল— নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরোটাই বাংলাদেশে আসবে। ২০২৩ সালের জুনে শেষ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র নির্মাণের তারপর ওই মাস থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে আদানি গ্রুপ।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন থাকার পর তাতে ছেদ পড়ে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিদেশি রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ক্রয়বাবদ অর্থ প্রদান নিয়মিত পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের সরকার। ফলে জমতে থাকে বকেয়া।

এই পরিস্থিতিতে গত ৩১ অক্টোবর বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছিল আদানি গ্রুপ। তারপর গত কয়েক মাস চুক্তির শর্তের তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাঠিয়েছে আদানি গ্রুপ

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার শহর থেকে ময়লার ভাগাড় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি

আপডেট সময় : ০৩:৫২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) বকেয়া অর্থের একাংশ পরিশোধ করার পর প্রতিবেশী এই দেশটিতে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। বিপিডিবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল করিম নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনকে রিয়াজুল করিম বলেন, “আমরা আদানি গ্রুপকে নিয়মিত তাদের পাওনা পরিশোধ করছি এবং আদানি গ্রুপও আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।”

প্রায় সাড়ে চার মাস পর বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি গ্রুপ। কী পরিমাণ অর্থ বকেয়া ছিল এবং সেই বকেয়া অর্থের মধ্যে কত পরিশোধ হয়েছে— সে সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি বিপিডিবি চেয়ারম্যান, তবে আদানি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা অর্থ জমেছিল ৮৫ কোটি রুপি। তার মধ্যে ৫ কোটি রুপি পরিশোধ করেছে বিপিডিবি এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বাকি অর্থ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শোধ করা হবে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আদানি গ্রুপ নির্মাণ করেছে, সেটি তৈরির এক মাত্র উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলেপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে (বিপিডিসি) একটি চুক্তি করেছিল আদানি গ্রুপ।

চুক্তির শর্ত ছিল— নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরোটাই বাংলাদেশে আসবে। ২০২৩ সালের জুনে শেষ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র নির্মাণের তারপর ওই মাস থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে আদানি গ্রুপ।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন থাকার পর তাতে ছেদ পড়ে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিদেশি রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ক্রয়বাবদ অর্থ প্রদান নিয়মিত পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের সরকার। ফলে জমতে থাকে বকেয়া।

এই পরিস্থিতিতে গত ৩১ অক্টোবর বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছিল আদানি গ্রুপ। তারপর গত কয়েক মাস চুক্তির শর্তের তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাঠিয়েছে আদানি গ্রুপ

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন