ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) বকেয়া অর্থের একাংশ পরিশোধ করার পর প্রতিবেশী এই দেশটিতে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। বিপিডিবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল করিম নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনকে রিয়াজুল করিম বলেন, “আমরা আদানি গ্রুপকে নিয়মিত তাদের পাওনা পরিশোধ করছি এবং আদানি গ্রুপও আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।”

প্রায় সাড়ে চার মাস পর বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি গ্রুপ। কী পরিমাণ অর্থ বকেয়া ছিল এবং সেই বকেয়া অর্থের মধ্যে কত পরিশোধ হয়েছে— সে সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি বিপিডিবি চেয়ারম্যান, তবে আদানি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা অর্থ জমেছিল ৮৫ কোটি রুপি। তার মধ্যে ৫ কোটি রুপি পরিশোধ করেছে বিপিডিবি এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বাকি অর্থ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শোধ করা হবে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আদানি গ্রুপ নির্মাণ করেছে, সেটি তৈরির এক মাত্র উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলেপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে (বিপিডিসি) একটি চুক্তি করেছিল আদানি গ্রুপ।

চুক্তির শর্ত ছিল— নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরোটাই বাংলাদেশে আসবে। ২০২৩ সালের জুনে শেষ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র নির্মাণের তারপর ওই মাস থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে আদানি গ্রুপ।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন থাকার পর তাতে ছেদ পড়ে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিদেশি রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ক্রয়বাবদ অর্থ প্রদান নিয়মিত পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের সরকার। ফলে জমতে থাকে বকেয়া।

এই পরিস্থিতিতে গত ৩১ অক্টোবর বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছিল আদানি গ্রুপ। তারপর গত কয়েক মাস চুক্তির শর্তের তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাঠিয়েছে আদানি গ্রুপ

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি

আপডেট সময় : ০৩:৫২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি) বকেয়া অর্থের একাংশ পরিশোধ করার পর প্রতিবেশী এই দেশটিতে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। বিপিডিবির চেয়ারম্যান রিয়াজুল করিম নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি অনলাইনকে রিয়াজুল করিম বলেন, “আমরা আদানি গ্রুপকে নিয়মিত তাদের পাওনা পরিশোধ করছি এবং আদানি গ্রুপও আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।”

প্রায় সাড়ে চার মাস পর বাংলাদেশে পুরোদমে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল আদানি গ্রুপ। কী পরিমাণ অর্থ বকেয়া ছিল এবং সেই বকেয়া অর্থের মধ্যে কত পরিশোধ হয়েছে— সে সম্পর্কিত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি বিপিডিবি চেয়ারম্যান, তবে আদানি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাছে প্রতিষ্ঠানটির পাওনা অর্থ জমেছিল ৮৫ কোটি রুপি। তার মধ্যে ৫ কোটি রুপি পরিশোধ করেছে বিপিডিবি এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বাকি অর্থ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শোধ করা হবে।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি আদানি গ্রুপ নির্মাণ করেছে, সেটি তৈরির এক মাত্র উদ্দেশ্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলেপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে (বিপিডিসি) একটি চুক্তি করেছিল আদানি গ্রুপ।

চুক্তির শর্ত ছিল— নতুন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুরোটাই বাংলাদেশে আসবে। ২০২৩ সালের জুনে শেষ হয় বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র নির্মাণের তারপর ওই মাস থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে আদানি গ্রুপ।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন থাকার পর তাতে ছেদ পড়ে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিদেশি রিজার্ভ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ক্রয়বাবদ অর্থ প্রদান নিয়মিত পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের সরকার। ফলে জমতে থাকে বকেয়া।

এই পরিস্থিতিতে গত ৩১ অক্টোবর বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছিল আদানি গ্রুপ। তারপর গত কয়েক মাস চুক্তির শর্তের তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাঠিয়েছে আদানি গ্রুপ

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি অনলাইন