ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবকের পা বিচ্ছিন্ন টেকনাফে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে : চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক শামীম কক্সবাজারে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি আবু সিদ্দিক গ্রেপ্তার পেকুয়ায় এবার ব্যবসায়ীর বাড়িতে দূর্ধর্ষ চুরি : স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট রামুতে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন: ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা মেসির ৩ ছেলের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো ফুটবলার হতে পারে? হোয়াইক্যং চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক চালক মৃত্যুকে ভয় পাই না, আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হচ্ছে গভীর নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সংকেত বহাল ‎বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে জিবনের বিচ্ছেদ হলো রুবিনা আক্তারের জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কক্সবাজার জেলার আহবায়ক কমিটি: স্বপন আহবায়ক, বাবু সদস্য সচিব ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর হাইকোর্টের আদেশ: পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আগের সভাপতি বহাল প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

আপনারা যে বোঝা হতে চাননা সেটা উনিও (গুতেরেস) বুঝেছেন – রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ড. ইউনূস

রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন “আল্লাহর কাছে দোয়া গরি সাম্মর বার যেন অনরা নিজর বাড়িত যাইয়ারে ঈদ গরিত পারন”।

রোহিঙ্গা ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা এই কথার অর্থ হলো, আল্লাহর কাছে দোয়া করি আগামী বছর আপনারা যেনো নিজের ঘরে গিয়ে ঈদ করতে পারেন”

শুক্রবার নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সফরের শেষ পর্ব ছিলো উখিয়ার আশ্রয় শিবিরের ২০নং ক্যাম্পে লাখো রোহিঙ্গার অংশগ্রহণে ইফতার।

দুপুর ১টার কিছু সময় আগে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেসকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চেপে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসেন ইউনূস। এরপর গুতেরেস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যান এবং ইউনূস কক্সবাজার বিমানবন্দরর সম্প্রসারণ কাজ ও খুরুস্কুলের জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেন।

সবশেষে তিনি যান আশ্রয় শিবিরে। সেখানে এন্তেনিও গুতেরেসসহ অংশ নেন লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের উদ্দ্যেশ্যে বক্তব্য দেন। পুরো বক্তব্য তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে কারো বোঝা হতে চাননা-এটা বলেছেন। আমরা সেটা তাকে (গুতেরেস) বলবো। আপনারা যে অনুরোধ করেছেন সেটাও সে বুঝেছে। আমরাও অনুরোধ করবো যতো তাড়াতাড়ি পারা যায় মিয়ানমারে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা যেনো হয়। আপনারা যে বোঝা নয় দুনিয়ার মানুষের সেবা করতে চান সেটাও তুলে ধরা হবে।

মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা যে সুযোগ সুবিধা চান নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সেটা তিনি (গুতেরেস) বুঝেছেন। দুনিয়ার মানুষকে তা বুঝাতে হবে। সে দায়িত্ব উনি (গুতেরেস) নিয়েছেন। দুনিয়ার হাজার রকমের দায়িত্ব তার। কোথায় যুদ্ধ হয়েছে কোথায় কি হচ্ছে সব তার দেখতে হয়। এতোকিছুর পর আপনাদের দায়িত্ব কতো গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিবেচনা করছেন তা বুঝানোর জন্য এতোদূর থেকে আপনাদের সাথে বসে ইফতার করবে, আপনাদের কষ্টটা উপলব্ধি করার জন্য।

“সবার পক্ষ থেকে আমরা তার (গুতেরেস) কাছে শুকরিয়া জানাই” বলেন ইউনূস।
এরপর ইফতার শেষ করেই তারা ক্যাম্প থেকে সড়ক পথে ফেরেন কক্সবাজার বিমানবন্দরে। রাত ৮টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে এন্তেনিও গুতেরেসসহ ঢাকায় ফিরে যান মোহাম্মদ ইউনূস।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে স্থলমাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবকের পা বিচ্ছিন্ন

আপনারা যে বোঝা হতে চাননা সেটা উনিও (গুতেরেস) বুঝেছেন – রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ড. ইউনূস

আপডেট সময় : ০৮:২১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন “আল্লাহর কাছে দোয়া গরি সাম্মর বার যেন অনরা নিজর বাড়িত যাইয়ারে ঈদ গরিত পারন”।

রোহিঙ্গা ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা এই কথার অর্থ হলো, আল্লাহর কাছে দোয়া করি আগামী বছর আপনারা যেনো নিজের ঘরে গিয়ে ঈদ করতে পারেন”

শুক্রবার নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সফরের শেষ পর্ব ছিলো উখিয়ার আশ্রয় শিবিরের ২০নং ক্যাম্পে লাখো রোহিঙ্গার অংশগ্রহণে ইফতার।

দুপুর ১টার কিছু সময় আগে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেসকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চেপে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসেন ইউনূস। এরপর গুতেরেস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যান এবং ইউনূস কক্সবাজার বিমানবন্দরর সম্প্রসারণ কাজ ও খুরুস্কুলের জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেন।

সবশেষে তিনি যান আশ্রয় শিবিরে। সেখানে এন্তেনিও গুতেরেসসহ অংশ নেন লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের উদ্দ্যেশ্যে বক্তব্য দেন। পুরো বক্তব্য তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে কারো বোঝা হতে চাননা-এটা বলেছেন। আমরা সেটা তাকে (গুতেরেস) বলবো। আপনারা যে অনুরোধ করেছেন সেটাও সে বুঝেছে। আমরাও অনুরোধ করবো যতো তাড়াতাড়ি পারা যায় মিয়ানমারে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা যেনো হয়। আপনারা যে বোঝা নয় দুনিয়ার মানুষের সেবা করতে চান সেটাও তুলে ধরা হবে।

মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা যে সুযোগ সুবিধা চান নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সেটা তিনি (গুতেরেস) বুঝেছেন। দুনিয়ার মানুষকে তা বুঝাতে হবে। সে দায়িত্ব উনি (গুতেরেস) নিয়েছেন। দুনিয়ার হাজার রকমের দায়িত্ব তার। কোথায় যুদ্ধ হয়েছে কোথায় কি হচ্ছে সব তার দেখতে হয়। এতোকিছুর পর আপনাদের দায়িত্ব কতো গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিবেচনা করছেন তা বুঝানোর জন্য এতোদূর থেকে আপনাদের সাথে বসে ইফতার করবে, আপনাদের কষ্টটা উপলব্ধি করার জন্য।

“সবার পক্ষ থেকে আমরা তার (গুতেরেস) কাছে শুকরিয়া জানাই” বলেন ইউনূস।
এরপর ইফতার শেষ করেই তারা ক্যাম্প থেকে সড়ক পথে ফেরেন কক্সবাজার বিমানবন্দরে। রাত ৮টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে এন্তেনিও গুতেরেসসহ ঢাকায় ফিরে যান মোহাম্মদ ইউনূস।