ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ : ইসি সচিব সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোট দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ৪৮৬টি বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কঠোর সেনাবাহিনী, মোড়ে মোড়ে তল্লাশি ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং হলে ফলাফল না মানার হুঁশিয়ারি মির্জা আব্বাসের একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন শাহজাহান ও আনোয়ারী ভোট দিলেন সেনাপ্রধান আজকের দিনটিকে আমরা জাতির জন্মদিন হিসেবে পালন করতে পারি : প্রধান উপদেষ্টা রামুতে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিএনপি নেতা আটক ভোট প্রদান শেষে লুৎফুর রহমান কাজল- জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী কেন্দ্রে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু আমরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নাহিদ ইসলাম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে সৌহার্দ্য, জামায়াত আমির-বিএনপি প্রার্থীর আলিঙ্গন ভোট দিলেন তারেক রহমান ‘ ইতিহাসের বাঁক বদলানো শুরু’ – সালাহউদ্দিন আহমদ

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

আপডেট সময় : ১২:১৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।