ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশেষ অভিযানে কক্সবাজারে ৩৬ জন গ্রেপ্তার, মদ ও ইয়াবা উদ্ধার জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে কক্সবাজারের টুটুল, মাসুসহ ৫ নেতা আটক শহরের বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শনকালে এমপি কাজল- পবিত্র স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সদ্য সাবেক কউক চেয়ারম্যানের বড় ভাই আলাউদ্দিন রাজা মারা গেছেন কক্সবাজার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের মানবিক উদ্যোগ টেকনাফে ৯০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ পেকুয়ার জাহেদ পেলেন পিপিএম পদক আসছে পুলিশের নতুন ইউনিট হাসপাতাল, হাট-বাজার, সমুদ্র সৈকত : ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাস প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পেকুয়ায় ‘ইউসুফ আলী’ হত্যাকান্ডে জড়িত তিন আসামি গ্রেফতার বিশ্ব পর্যটন দিবস : ১৩ ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার’ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১; আহত ৮ ফ্যাসিবাদীদেরকে তথ্য দিলে রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা: পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২ বছর পর পর্দা উঠলো পর্যটন মেলার, তারকামানের হোটেলে বিশেষ ছাড় কুতুবদিয়া থানা কাবাডি দলের জার্সি উন্মোচন

টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মো. আলমগীর (আলাউদ্দিন) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় ওসমান গণির মালিকানাধীন একটি মাছের ঘেরে আলমগীরের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি টেকনাফ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আলমগীর ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের প্রায় দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যে মাছের ঘেরে কর্মরত ছিলেন, সেই ঘের থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি, আলমগীরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মরদেহের মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে কক্সবাজারে ৩৬ জন গ্রেপ্তার, মদ ও ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

আপডেট সময় : ১১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মো. আলমগীর (আলাউদ্দিন) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় ওসমান গণির মালিকানাধীন একটি মাছের ঘেরে আলমগীরের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি টেকনাফ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আলমগীর ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের প্রায় দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যে মাছের ঘেরে কর্মরত ছিলেন, সেই ঘের থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি, আলমগীরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মরদেহের মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।