ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা দেশে মোট গাঁজাখোর ৬১ লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে সরকার: নাইক্ষ্যংছড়িতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি ফরিদ উদ্দিন রামুর হাইটুপিতে রাখাইন তরুনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুর ২৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত পাঠদান রোববার থেকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হচ্ছে: হাইকমিশনার ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ১০ ভূমিকম্প তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-বেইজিং ঐকমত্য রামুর খুনিয়াপালংয়ে রহস্যজনক লাশ উদ্ধার: স্ত্রীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে পারে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘মনে হচ্ছিল, পুরো ভবনটি মাথার ওপর ভেঙে পড়বে’, ভেনেজুয়েলায় নিহত ৩২, আহত ৭০০ বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মো. আলমগীর (আলাউদ্দিন) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় ওসমান গণির মালিকানাধীন একটি মাছের ঘেরে আলমগীরের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি টেকনাফ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আলমগীর ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের প্রায় দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যে মাছের ঘেরে কর্মরত ছিলেন, সেই ঘের থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি, আলমগীরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মরদেহের মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

আপডেট সময় : ১১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপ ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া এলাকায় একটি মাছের ঘের থেকে মো. আলমগীর (আলাউদ্দিন) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় ওসমান গণির মালিকানাধীন একটি মাছের ঘেরে আলমগীরের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি টেকনাফ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আলমগীর ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিখোঁজের প্রায় দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যে মাছের ঘেরে কর্মরত ছিলেন, সেই ঘের থেকেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি, আলমগীরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, মরদেহের মাথা ও ঘাড়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটির রহস্য উদঘাটন এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে।