উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) ভোররাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌধুরীর ঘের এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক ব্যক্তি হলেন উখিয়া উপজেলার শিয়ালীপাড়া গ্রামের মৃত জালালের ছেলে মো. কাদের (৩৮)। সে উখিয়া পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মাঠ কর্মী।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-২১ এর দক্ষিণে চৌধুরীর ঘের এলাকায় অবস্থান নেয়। ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ওই এলাকায় প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে।
পরে তার হাতে থাকা একটি কাপড়ের পোটলা তল্লাশি করে খাকী রঙের প্যাকেটে মোড়ানো ১৪ টি কার্টনে রাখা মোট ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক কাদের স্বীকার করেন যে, তিনি মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানান, মাদক সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য চোরাকারবারিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জানা যায়, এর আগেও ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর বিকেলে ৬৪ বিজিবির একটি বিশেষ দল রহমতের বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মনিরকে আটক করেছিল। সে মাদকবিরোধী গঠিত টাস্কফোর্সের তালিকাভুক্ত আসামি ছিল।
মনির উখিয়ার ধামনখালী এলাকার বাসিন্দা জব্বর মুল্লুকের ছেলে।
এছাড়া ২০২৩ সালের শাহজাহান হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার কারাগারে গেলেও জামিনে বের হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে এবং আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ের আড়ালে সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। কয়েক মাস আগে কাস্টমস এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে মনিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















