ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হেরেও রেকর্ড করলো মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটাতে হবে- মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে আইওএমের নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি পেকুয়ার সিরাদিয়া সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ টেকনাফে র‍্যাবের পৃথক অভিযান: বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক দর্শকের ঢল সামলাতে ব্যর্থ জেলা স্টেডিয়াম: আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি! উখিয়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইয়াবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চকরিয়ায় বসতঘরে অভিযান, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে খেলতে চায় ব্রাজিল বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার বঙ্গোপসাগর লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ছয় পেরিয়ে সাতে: কথা বলার দায় আরও বড়

“ছয় পেরিয়ে আমরা পা রাখছি সাতে।”সময় হিসেবে এটি একটি সংখ্যা মাত্র নয়; একটি সংবাদ মাধ্যমের জন্য সাত বছর মানে; টিকে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার সাহস অর্জন করা।

দি টেরিটোরিয়াল নিউজ (টিটিএন) যাত্রা শুরু করেছিল একটি বিশ্বাস নিয়ে; সংবাদ শুধু ঘটনা নয়, সংবাদ হলো মানুষের কথা। এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা দিনে-রাতে পাঠকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

এই সাত বছরে আমরা শিখেছি, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটনের গল্পে সীমাবদ্ধ করলে সত্য অসম্পূর্ণ থাকে। তাই আমরা কথা বলেছি পর্যটনের পাশাপাশি জেলে পল্লীর জীবন নিয়ে, লবণ চাষিদের ঘাম ঝরানো শ্রম নিয়ে, পান–সুপারি চাষিদের নীরব সংগ্রাম নিয়ে। আমরা কথা বলেছি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে, নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও অংশ গ্রহণের বিষয়ে।

কিন্তু আমাদের দায়িত্ব এখানেই থেমে যায়নি। ভূগোল আমাদের এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখানে স্থানীয় ঘটনাও অনেক সময় বৈশ্বিক ইঙ্গিত বহন করে। তাই আমরা কথা বলেছি ভূরাজনীতির; রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক ট্র্যাজেডি ও তার রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, সীমান্তের নীরব উত্তেজনা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা নিয়ে।

আমরা চেষ্টা করেছি আবেগে নয়, বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে। কারণ সংবাদ যদি কেবল আবেগে ভাসে, তবে তা দিকনির্দেশনা হারায়। টিটিএন বিশ্বাস করে, দেশ মানে শুধু রাজধানী নয়, জনগণ মানে শুধু সংখ্যা নয়। দেশ মানে প্রান্তিক মানুষ, সীমান্তের উদ্বেগ, মাঠের শ্রম আর নীরব প্রশ্ন গুলো, যেগুলো অনেক সময় শিরোনাম হয় না।

সাত বছরে এসে আমরা দাবি করছি না যে সব ঠিক করেছি। আমরা শুধু বলছি, দায়িত্ব এড়িয়ে যাইনি। ভুল থেকে শিখেছি, প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি, আর চেষ্টা করেছি সত্যের পাশে থাকতে।

নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট, আমরা খবর দেব, কিন্তু তার চেয়েও বেশি দেব প্রেক্ষাপট। আমরা প্রশ্ন করব, কিন্তু তথ্যের ভিত্তিতে। আমরা কথা বলব, দেশের ও জনগণের।

ছয় পেরিয়ে সাতে এসে তাই বলি, সাথে থাকুন দিনে–রাতে। কারণ সত্যের পথ দীর্ঘ, আর সেই পথে হাঁটতে পাঠকের সঙ্গই সবচেয়ে বড় শক্তি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

ছয় পেরিয়ে সাতে: কথা বলার দায় আরও বড়

আপডেট সময় : ০১:১৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

“ছয় পেরিয়ে আমরা পা রাখছি সাতে।”সময় হিসেবে এটি একটি সংখ্যা মাত্র নয়; একটি সংবাদ মাধ্যমের জন্য সাত বছর মানে; টিকে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার সাহস অর্জন করা।

দি টেরিটোরিয়াল নিউজ (টিটিএন) যাত্রা শুরু করেছিল একটি বিশ্বাস নিয়ে; সংবাদ শুধু ঘটনা নয়, সংবাদ হলো মানুষের কথা। এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা দিনে-রাতে পাঠকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

এই সাত বছরে আমরা শিখেছি, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটনের গল্পে সীমাবদ্ধ করলে সত্য অসম্পূর্ণ থাকে। তাই আমরা কথা বলেছি পর্যটনের পাশাপাশি জেলে পল্লীর জীবন নিয়ে, লবণ চাষিদের ঘাম ঝরানো শ্রম নিয়ে, পান–সুপারি চাষিদের নীরব সংগ্রাম নিয়ে। আমরা কথা বলেছি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে, নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও অংশ গ্রহণের বিষয়ে।

কিন্তু আমাদের দায়িত্ব এখানেই থেমে যায়নি। ভূগোল আমাদের এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখানে স্থানীয় ঘটনাও অনেক সময় বৈশ্বিক ইঙ্গিত বহন করে। তাই আমরা কথা বলেছি ভূরাজনীতির; রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক ট্র্যাজেডি ও তার রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, সীমান্তের নীরব উত্তেজনা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা নিয়ে।

আমরা চেষ্টা করেছি আবেগে নয়, বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে। কারণ সংবাদ যদি কেবল আবেগে ভাসে, তবে তা দিকনির্দেশনা হারায়। টিটিএন বিশ্বাস করে, দেশ মানে শুধু রাজধানী নয়, জনগণ মানে শুধু সংখ্যা নয়। দেশ মানে প্রান্তিক মানুষ, সীমান্তের উদ্বেগ, মাঠের শ্রম আর নীরব প্রশ্ন গুলো, যেগুলো অনেক সময় শিরোনাম হয় না।

সাত বছরে এসে আমরা দাবি করছি না যে সব ঠিক করেছি। আমরা শুধু বলছি, দায়িত্ব এড়িয়ে যাইনি। ভুল থেকে শিখেছি, প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি, আর চেষ্টা করেছি সত্যের পাশে থাকতে।

নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট, আমরা খবর দেব, কিন্তু তার চেয়েও বেশি দেব প্রেক্ষাপট। আমরা প্রশ্ন করব, কিন্তু তথ্যের ভিত্তিতে। আমরা কথা বলব, দেশের ও জনগণের।

ছয় পেরিয়ে সাতে এসে তাই বলি, সাথে থাকুন দিনে–রাতে। কারণ সত্যের পথ দীর্ঘ, আর সেই পথে হাঁটতে পাঠকের সঙ্গই সবচেয়ে বড় শক্তি।