ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

ছয় পেরিয়ে সাতে: কথা বলার দায় আরও বড়

“ছয় পেরিয়ে আমরা পা রাখছি সাতে।”সময় হিসেবে এটি একটি সংখ্যা মাত্র নয়; একটি সংবাদ মাধ্যমের জন্য সাত বছর মানে; টিকে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার সাহস অর্জন করা।

দি টেরিটোরিয়াল নিউজ (টিটিএন) যাত্রা শুরু করেছিল একটি বিশ্বাস নিয়ে; সংবাদ শুধু ঘটনা নয়, সংবাদ হলো মানুষের কথা। এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা দিনে-রাতে পাঠকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

এই সাত বছরে আমরা শিখেছি, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটনের গল্পে সীমাবদ্ধ করলে সত্য অসম্পূর্ণ থাকে। তাই আমরা কথা বলেছি পর্যটনের পাশাপাশি জেলে পল্লীর জীবন নিয়ে, লবণ চাষিদের ঘাম ঝরানো শ্রম নিয়ে, পান–সুপারি চাষিদের নীরব সংগ্রাম নিয়ে। আমরা কথা বলেছি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে, নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও অংশ গ্রহণের বিষয়ে।

কিন্তু আমাদের দায়িত্ব এখানেই থেমে যায়নি। ভূগোল আমাদের এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখানে স্থানীয় ঘটনাও অনেক সময় বৈশ্বিক ইঙ্গিত বহন করে। তাই আমরা কথা বলেছি ভূরাজনীতির; রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক ট্র্যাজেডি ও তার রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, সীমান্তের নীরব উত্তেজনা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা নিয়ে।

আমরা চেষ্টা করেছি আবেগে নয়, বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে। কারণ সংবাদ যদি কেবল আবেগে ভাসে, তবে তা দিকনির্দেশনা হারায়। টিটিএন বিশ্বাস করে, দেশ মানে শুধু রাজধানী নয়, জনগণ মানে শুধু সংখ্যা নয়। দেশ মানে প্রান্তিক মানুষ, সীমান্তের উদ্বেগ, মাঠের শ্রম আর নীরব প্রশ্ন গুলো, যেগুলো অনেক সময় শিরোনাম হয় না।

সাত বছরে এসে আমরা দাবি করছি না যে সব ঠিক করেছি। আমরা শুধু বলছি, দায়িত্ব এড়িয়ে যাইনি। ভুল থেকে শিখেছি, প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি, আর চেষ্টা করেছি সত্যের পাশে থাকতে।

নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট, আমরা খবর দেব, কিন্তু তার চেয়েও বেশি দেব প্রেক্ষাপট। আমরা প্রশ্ন করব, কিন্তু তথ্যের ভিত্তিতে। আমরা কথা বলব, দেশের ও জনগণের।

ছয় পেরিয়ে সাতে এসে তাই বলি, সাথে থাকুন দিনে–রাতে। কারণ সত্যের পথ দীর্ঘ, আর সেই পথে হাঁটতে পাঠকের সঙ্গই সবচেয়ে বড় শক্তি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

ছয় পেরিয়ে সাতে: কথা বলার দায় আরও বড়

আপডেট সময় : ০১:১৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

“ছয় পেরিয়ে আমরা পা রাখছি সাতে।”সময় হিসেবে এটি একটি সংখ্যা মাত্র নয়; একটি সংবাদ মাধ্যমের জন্য সাত বছর মানে; টিকে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা এবং দায়িত্ব নিয়ে কথা বলার সাহস অর্জন করা।

দি টেরিটোরিয়াল নিউজ (টিটিএন) যাত্রা শুরু করেছিল একটি বিশ্বাস নিয়ে; সংবাদ শুধু ঘটনা নয়, সংবাদ হলো মানুষের কথা। এই বিশ্বাস নিয়েই আমরা দিনে-রাতে পাঠকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

এই সাত বছরে আমরা শিখেছি, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটনের গল্পে সীমাবদ্ধ করলে সত্য অসম্পূর্ণ থাকে। তাই আমরা কথা বলেছি পর্যটনের পাশাপাশি জেলে পল্লীর জীবন নিয়ে, লবণ চাষিদের ঘাম ঝরানো শ্রম নিয়ে, পান–সুপারি চাষিদের নীরব সংগ্রাম নিয়ে। আমরা কথা বলেছি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, এই মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে, নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা ও অংশ গ্রহণের বিষয়ে।

কিন্তু আমাদের দায়িত্ব এখানেই থেমে যায়নি। ভূগোল আমাদের এমন এক জায়গায় দাঁড় করিয়েছে, যেখানে স্থানীয় ঘটনাও অনেক সময় বৈশ্বিক ইঙ্গিত বহন করে। তাই আমরা কথা বলেছি ভূরাজনীতির; রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক ট্র্যাজেডি ও তার রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে, সীমান্তের নীরব উত্তেজনা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা নিয়ে।

আমরা চেষ্টা করেছি আবেগে নয়, বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে। কারণ সংবাদ যদি কেবল আবেগে ভাসে, তবে তা দিকনির্দেশনা হারায়। টিটিএন বিশ্বাস করে, দেশ মানে শুধু রাজধানী নয়, জনগণ মানে শুধু সংখ্যা নয়। দেশ মানে প্রান্তিক মানুষ, সীমান্তের উদ্বেগ, মাঠের শ্রম আর নীরব প্রশ্ন গুলো, যেগুলো অনেক সময় শিরোনাম হয় না।

সাত বছরে এসে আমরা দাবি করছি না যে সব ঠিক করেছি। আমরা শুধু বলছি, দায়িত্ব এড়িয়ে যাইনি। ভুল থেকে শিখেছি, প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি, আর চেষ্টা করেছি সত্যের পাশে থাকতে।

নতুন বছরে আমাদের অঙ্গীকার আরও স্পষ্ট, আমরা খবর দেব, কিন্তু তার চেয়েও বেশি দেব প্রেক্ষাপট। আমরা প্রশ্ন করব, কিন্তু তথ্যের ভিত্তিতে। আমরা কথা বলব, দেশের ও জনগণের।

ছয় পেরিয়ে সাতে এসে তাই বলি, সাথে থাকুন দিনে–রাতে। কারণ সত্যের পথ দীর্ঘ, আর সেই পথে হাঁটতে পাঠকের সঙ্গই সবচেয়ে বড় শক্তি।