ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রস্তুতি সম্পন্ন: বঙ্গভবন জামায়াত ফেরেশতার দল নয়, আমাদেরও ভুলত্রুটি হয়: শফিকুর রহমান গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার : ফখরুল পুলিশের কাজ মানুষের সেবা করা-ইলিয়াছ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পুলিশ সুপার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: সন্ত্রাসী জিয়াউর রহমানসহ আটক ১৭, অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়ার মানুষ পুলিশ বান্ধব- রামুর ওসি মুনিরুল জেলা শিল্পকলা একাডেমির “বর্ষায় নজরুল” স্মরণ অনুষ্ঠান ‘প্রশ্নটা বিব্রতকর’, পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ​রাজু ভাস্কর্যে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন সাইফুল ইসলাম জিহাদী খুনিয়া পালংয়ে কলেজ ছাত্রকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ উখিয়ায় বিএসটিআইয়ের লোগো লাগিয়ে চলছিলো বেকারি পণ্য, এসিল্যান্ডের অভিযানে জরিমানা পেকুয়ায় অবৈধ বাঁধ অপসারণ: স্বস্তিতে ১০ হাজার মানুষ হোয়াইক্যং ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে বৈঠকে হামলা, পরিষদে ভাঙচুর : আহত কয়েকজন কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন হাব গড়তে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ির সকল দোকান সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে কার্ডধারী কিংবা কার্ডবিহীন বসানো দোকানকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নেবে ওই সব দোকান উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পর্যটন সেলের সহকারি কমিশনার নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেন।

নোটিশে জানানো হয় গত ১১ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা ও ট্যুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব, সেনা বাহিনী, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা, সৈকতের ব্যবসায়ীদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে  বালিয়াড়িতে বসানো দোকানগুলোকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তেমন না হলে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

মূলত ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই সমুদ্র সৈকতকে ইসি এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সেই  আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালত ২০১১ সালে সৈকতের বালিয়াড়িতে সকল স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের আলোকে ২০২২ সালে  প্রায়ই ৫ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশাসন। তবে থেকে যায় আরো তিন শতাধিক স্থাপনা। সেই সব স্থাপনাও পরে উচ্ছেদের কথা ছিল। কিন্তু সে কথা রাখেনি জেলা প্রশাসন। পরে উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনা আবারও নতুন করে তৈরি হয়ে যায়। আর এর মধ্যে এবার নতুন চুক্তি করে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের প্রস্তুতি সম্পন্ন: বঙ্গভবন

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ির সকল দোকান সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে কার্ডধারী কিংবা কার্ডবিহীন বসানো দোকানকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নেবে ওই সব দোকান উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পর্যটন সেলের সহকারি কমিশনার নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেন।

নোটিশে জানানো হয় গত ১১ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা ও ট্যুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব, সেনা বাহিনী, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা, সৈকতের ব্যবসায়ীদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে  বালিয়াড়িতে বসানো দোকানগুলোকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তেমন না হলে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

মূলত ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই সমুদ্র সৈকতকে ইসি এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সেই  আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালত ২০১১ সালে সৈকতের বালিয়াড়িতে সকল স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের আলোকে ২০২২ সালে  প্রায়ই ৫ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশাসন। তবে থেকে যায় আরো তিন শতাধিক স্থাপনা। সেই সব স্থাপনাও পরে উচ্ছেদের কথা ছিল। কিন্তু সে কথা রাখেনি জেলা প্রশাসন। পরে উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনা আবারও নতুন করে তৈরি হয়ে যায়। আর এর মধ্যে এবার নতুন চুক্তি করে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল।