ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মঙ্গলবার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এমপি-মন্ত্রীদের শপথ বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণভোটকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পুলিশে দিন,সাহসিকতার জন্যে দেয়া হবে পুরস্কার- লুৎফুর রহমান কাজল তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মানব ও মাদক পাচারের অভিযোগ

​কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারের রহস্য পাহাড় খ্যাত কচ্ছপিয়া পাহাড়। যেখানে পাচারের জন্য বন্দী রাখা হয় শত-শত নারীশিশু-পুরুষ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে প্রতিনিয়ত অপহৃত ও বন্দিদের উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে এ পাহাড়ে। তবে মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে।

কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ছৈয়দ আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৮ ওয়ার্ডের সহসভাপতি। প্রভাব খাটিয়ে মানবপাচারের রুট স্থানীয় ভাষায় বলে “এয়ারপোর্ট” গড়ে তুলেন উল্লেখিত এলাকায়।

​স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, শীলখালী এলাকায় চারটি নৌকার মালিক তিনি। এসব নৌকাকে ব্যবহার করেই তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানব-মাদক ও মিয়ানমারে অবৈধ পন্য পাচারের সাথে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড কচ্ছপিয়াতে অবস্থিত আব্দুর রহিমের বাড়ির পেছনের অংশে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে মানুষজনকে বন্দী রাখেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বহু পাচারকারীকে আটক ও জিম্মিদের উদ্ধার করলেও এই আওয়ামী লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”একজনের এত সম্পত্তি কীভাবে হয়! গাড়ি-বাড়ি, জমি-জমা, ব্যাংকে টাকা—সবই তো অবৈধ পথে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আবদুর রহিমের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেয়া হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এই নামের অনেকে আছে আওয়ামী লীগ করে। চিনতে পারছি না এখন। তবে মানবপাচারের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ এই ইউপি সদস্য।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মানব ও মাদক পাচারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

​কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারের রহস্য পাহাড় খ্যাত কচ্ছপিয়া পাহাড়। যেখানে পাচারের জন্য বন্দী রাখা হয় শত-শত নারীশিশু-পুরুষ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে প্রতিনিয়ত অপহৃত ও বন্দিদের উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে এ পাহাড়ে। তবে মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে।

কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ছৈয়দ আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৮ ওয়ার্ডের সহসভাপতি। প্রভাব খাটিয়ে মানবপাচারের রুট স্থানীয় ভাষায় বলে “এয়ারপোর্ট” গড়ে তুলেন উল্লেখিত এলাকায়।

​স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, শীলখালী এলাকায় চারটি নৌকার মালিক তিনি। এসব নৌকাকে ব্যবহার করেই তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানব-মাদক ও মিয়ানমারে অবৈধ পন্য পাচারের সাথে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড কচ্ছপিয়াতে অবস্থিত আব্দুর রহিমের বাড়ির পেছনের অংশে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে মানুষজনকে বন্দী রাখেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বহু পাচারকারীকে আটক ও জিম্মিদের উদ্ধার করলেও এই আওয়ামী লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”একজনের এত সম্পত্তি কীভাবে হয়! গাড়ি-বাড়ি, জমি-জমা, ব্যাংকে টাকা—সবই তো অবৈধ পথে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আবদুর রহিমের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেয়া হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এই নামের অনেকে আছে আওয়ামী লীগ করে। চিনতে পারছি না এখন। তবে মানবপাচারের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ এই ইউপি সদস্য।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।