ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে

বাংলাদেশে নতুন অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা দেড় লাখের বেশি

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 377

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মঙ্গলবারে (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন অনুপ্রবেশকারীরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শিবিরগুলোতে আশ্রিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর পর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার সঙ্গে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ের রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেয়াই প্রতিবেদনের মূল লক্ষ্য।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হলে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করতে হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি রোডম্যাপ তৈরির জন্য সদস্য রাষ্ট্র, আন্তঃসরকারি সংস্থা ও দাতাদের অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়তা করবে।

এছাড়া ৫৯তম মানবাধিকার কাউন্সিলে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী করার কথাও এতে বলা হয়েছে।

সুত্র: দৈনিক পাহাড় সমুদ্র

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় পুলিশের প্রচেষ্টায় নিখোঁজের এক মাস পর অ’প’হৃ’ত দুই শিশু উদ্ধার

বাংলাদেশে নতুন অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা দেড় লাখের বেশি

আপডেট সময় : ১২:৩০:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে পুনরায় সংঘাত শুরু হওয়ায় ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর মঙ্গলবারে (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নতুন অনুপ্রবেশকারীরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের শিবিরগুলোতে আশ্রিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর পর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার সঙ্গে তাদের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন রাজ্যের দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ের রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেয়াই প্রতিবেদনের মূল লক্ষ্য।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে হলে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করতে হবে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে একটি রোডম্যাপ তৈরির জন্য সদস্য রাষ্ট্র, আন্তঃসরকারি সংস্থা ও দাতাদের অগ্রাধিকার নির্ধারণে সহায়তা করবে।

এছাড়া ৫৯তম মানবাধিকার কাউন্সিলে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মিয়ানমারের অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি আরও শক্তিশালী করার কথাও এতে বলা হয়েছে।

সুত্র: দৈনিক পাহাড় সমুদ্র