ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য চুরি-ছিনতাই রোধ, পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

২৪ ঘন্টায় ৬০ জন ‘শয়তান শিকার’ কক্সবাজার পুলিশের!

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

গেলো ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। বিভিন্ন থানা হঠাৎ সক্রিয় হয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট (Operation Devil Hunt) একটি বিশেষ অভিযান, দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক রাখতে যা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করা হয়েছে। এর বাংলা অর্থ হলো- ‘শয়তান শিকারের অভিযান’।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো জসীম উদ্দিন জানান, যারা গ্রেফতার হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন মামলায় ‘এজাহার নামীয়’ আসামী।

জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার ব্যক্তিরা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমীক লীগের নেতাকর্মী।

গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাফর আলমকে।

ওইদিন জাফরকে আদালতে তোলা ঘিরে চকরিয়ায় প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী নিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। মূলত এরপর থেকে জেলা জুড়ে ফের শুরু হয় ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নিয়ে পুলিশের তৎপরতা।

চকরিয়ার মিছিল ঘিরেই কী পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, “অনেকটা তাই। বিষয়টি হচ্ছে আওয়ামীলীগের কার্যক্রম সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ। এখন যদি তারা মিছিল করে এটা তো সরকারের আদেশ-নির্দেশনার উপেক্ষা। এগুলোর কারনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির সুযোগ আছে।”

“জেলার আইনশৃঙ্খলা স্থিতিশীল রাখতে তাদের আইনের আওয়াতায় আনা হচ্ছে” – বলেন জসীম উদ্দীন।

এদিকে জেলার বিভিন্ন থানার ওসিদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এবারের অভিযানে আটক বেশিরভাগই আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজার আদালতে আনতে দেখা গেছে গ্রেফতার নেতাদের অনেককেই।