প্রতিবাদ, প্রতিরোধ। পাশাপাশি মানববন্ধনও করেছে সীমান্তের হাজারো মানুষ। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রচারযোগ্য সব মাধ্যমে গলা ফাটিয়ে কথা বলছেন তাঁরা।
কিন্তু, সীমান্তে শিশুসহ বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মি.তৌহিদ।
কয়েকদিন ধরে সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে গোলাগুলি চলছে। এতে মাঝে মাঝেই বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এমনকি ওপার থেকে গুলি, মর্টার শেলের অংশও পড়ছে এপারে।
এমন পরিস্থিতির মাঝেই সোমবার সকালে নাফ নদীতে মাছের ঘেরে কাজ করছিলেন হানিফ মিয়া। এসময় আরাকান আর্মির পুতে রাখা মাইন বিস্ফোরিত হয়। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় হানিফের বাম পা। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন স্থানীয়রা। অবস্থার অবণতি হলে নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রোববার কাছাকাছি জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয় শিশু হুজাইফা। হুজাইফাও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হুজাইফা আফনানের অস্ত্রোপচার হয়েছে রবিবার মধ্যরাতে।
দুই ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছে সীমান্ত এলাকার মানুষ।
প্রতিবাদ, প্রতিরোধ। পাশাপাশি মানববন্ধনও করেছে সীমান্তের হাজারো মানুষ। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রচারযোগ্য সব মাধ্যমে গলা ফাটিয়ে কথা বলছেন তাঁরা।
কিন্তু মিয়ানমার সীমান্তে পরপর দুই দিন এক শিশুসহ বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার বিষয়ে ঢাকায় গণমাধ্যম কর্মীরা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন কে প্রশ্ন করলে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
এসব বিষয় নিয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা জরুরি বলে মনে করেন কক্সবাজারের সচেতন মানুষ।
কক্সবাজার টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হানিফুর রহমান মুঠোফোনে টিটিএনকে জানান, অমার সবোচ্ছ সর্তক অবস্থায় রয়েছি। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অতীতের ন্যায় আমরা দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
সীমান্তে গোলাগুলি, হামলা উত্তেজনা এসব নতুন কিছু নয়।
এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে, মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে ২ জনের মৃত্যু হয়েছিলো।
তৌফিক লিপু 


















