ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে দরবেশকাটা সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল রাশিয়ার ফাঁদে ট্রাম্প! মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ‘বাদশা’ ইরান? কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি? সেন্ট মার্টিনের কাছে ধরা পড়ল পাঁচ মণ ওজনের বোল মাছ, বিক্রি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান নিজের পুরস্কার উৎসর্গ করলেন দর্শকদের উখিয়া–টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় মা-মেয়েকে মারধর, পরে ১ মাসের জেল রামুতে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাকাত মালেকের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত উখিয়ার থাইংখালীতে পাহাড় কেটে সাবাড়, ড্রাম ট্রাক আটক মাদকের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা- ইয়াবা ও দুই সঙ্গীসহ পুলিশের জালে যুবদল নেতা সাংবাদিক আনিস আলমগীরের হাইকোর্টে জামিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কক্সবাজারে আসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ খালেদা জিয়াসহ যারা পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’

সাফজয়ী নারী ফুটবল দলের হাতে একুশে পদক

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 294

বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি গৌরব। টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে একুশে পদক তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দলের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাফজয়ী দলের অন্যান্য ফুটবলাররাও।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবিনা খাতুন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও নারী ফুটবল উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

২০২২ সালে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী দল। এরপর ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে সাবিনারা। সাফজয়ী সেই দলে ছিলেন রূপনা চাকমা, ইয়ারজান বেগম, মিলি আক্তার, মাসুরা পারভীন, কোহাতি কিসকু, আফিদা খন্দকার, নিলুফা ইয়াসমিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শিউলি আজিম, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, আইরিন আক্তার, মাতসুশিমা সুমাইয়া, শাহেদা আক্তার রিপা, ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা আক্তার ও মোসাম্মাৎ সাগরিকা। সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছিলেন রূপনা চাকমা, আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা।

বাংলাদেশ নারী দল সর্বশেষ সাফ শিরোপা জিতেছিল কোচ পিটার বাটলারের অধীনে। তবে সম্প্রতি বাটলারের কোচিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৮ জন নারী ফুটবলার অনুশীলন বর্জন ও গণ-অবসরের হুমকি দেন। এমন টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই আসে নারী ফুটবলারদের জন্য এই বিরল সম্মাননা।

 

ট্যাগ :

সাফজয়ী নারী ফুটবল দলের হাতে একুশে পদক

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি গৌরব। টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে একুশে পদক তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দলের পক্ষে পদক গ্রহণ করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাফজয়ী দলের অন্যান্য ফুটবলাররাও।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবিনা খাতুন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও নারী ফুটবল উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

২০২২ সালে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী দল। এরপর ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে সাবিনারা। সাফজয়ী সেই দলে ছিলেন রূপনা চাকমা, ইয়ারজান বেগম, মিলি আক্তার, মাসুরা পারভীন, কোহাতি কিসকু, আফিদা খন্দকার, নিলুফা ইয়াসমিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শিউলি আজিম, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, আইরিন আক্তার, মাতসুশিমা সুমাইয়া, শাহেদা আক্তার রিপা, ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা আক্তার ও মোসাম্মাৎ সাগরিকা। সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছিলেন রূপনা চাকমা, আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা।

বাংলাদেশ নারী দল সর্বশেষ সাফ শিরোপা জিতেছিল কোচ পিটার বাটলারের অধীনে। তবে সম্প্রতি বাটলারের কোচিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৮ জন নারী ফুটবলার অনুশীলন বর্জন ও গণ-অবসরের হুমকি দেন। এমন টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই আসে নারী ফুটবলারদের জন্য এই বিরল সম্মাননা।