ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড এক দিনে দুই দফা ডাকাতি : ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের আতংক এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কচ্ছপিয়ার সোহেল সিকদার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে কক্সবাজারের পূজামণ্ডপে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আইনের তোয়াক্কা না করে মেরিন ড্রাইভে ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট, ১০ প্রাণের বিনিময়েও জাগেনি প্রশাসন সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক পেকুয়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, পুরস্কৃত ৪০ শিক্ষার্থী

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।