ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত চকরিয়ার দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ, ‎সন্ধান চায় পরিবার

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি!

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।