ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা তাজমিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই’ রাজুর পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ৩ ৫০ হাজার টাকার জন্য ৪ বছরের ওমাইরকে অপহরণ করে হত্যা এমপি কাজলের সহধর্মিণী শিরিন রহমানের সুস্থতা কামনায় রামুতে বিএনপির দোয়া মাহফিল উখিয়ায় চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি পবিত্র রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানালেন আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা স্ত্রী পরিচয়ে রাজুর সঙ্গেই কক্সবাজারের হোটেলে উঠেছিলো তাজমিন! রিয়াদে হুথি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ জাতীয় পর্যায়ে ডিজি’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের নীলোৎপল বড়ুয়া নাইক্ষ্যংছড়িতে ২ লাখ ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ান শুটার গান ও গুলিসহ আটক ১ লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত টেকনাফ পৌরসভায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও জরিমানা: ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

শীতে হাঁপানি রোগীদের সতর্কতা

শীত এবার একটু আগেভাগেই পড়তে শুরু করেছে। সকালে কুয়াশা ও শিশির। তার ওপর রয়েছে পাতাঝরা দিনে শুষ্কতা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা।
আর এ শুষ্কতা আর ধুলাবালু বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে রাজধানীতে বায়ুদূষণের মাত্রা সম্প্রতি বেশি দেখা যাচ্ছে। যাঁদের অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে, তাঁদের জন্য সময়টা কষ্টের। শীতের শুরুতেই তাঁদের সতর্ক হতে হবে, দরকার কিছুটা বাড়তি সচেতনতা।

আমরা জানি, হাঁপানি কখনো সেরে যায় না। কিন্তু চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। জেনে রাখা ভালো কোন কোন বিষয় হাঁপানি বাড়িয়ে দেয় এবং এর প্রতিরোধে কী কী করণীয়।
যেসব বিষয় থেকে অ্যালার্জি হয়, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। যেমন ধুলা ও বায়ূদুষণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পরুন। ধুলাবালু ঝাড়ার সময় দূরে থাকুন।
শিশুদের হাঁপানি আছে কি না, তা জানতে নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করাতে হবে। ফুসফুসের স্পাইরোমেটরি পরীক্ষা করাতে হবে।
অ্যালার্জি পরীক্ষা করানো যায়।

পশুর লোমে বা পাখির পালকে অ্যালার্জি থাকলে পশুপাখি থেকে দূরে থাকতে হবে।
ঠান্ডা লাগানো যাবে না। আবহাওয়া অনুযায়ী গরম পোশাক পরুন।
হাঁপানি রোগীদের এ সময় ব্যাগে ইনহেলার রাখতে হবে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য।
ঘরোয়াভাবে অল্প পরিমাণ শর্ষের তেল হাতের তালুতে নিয়ে বুকে মালিশ করা যেতে পারে। অনেক সময় বাষ্পস্নানও কাজে দেয়।

শীতের শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা ভালো। তিনি এ সময় ওষুধের তারতম্য করতে পারেন।
হাঁপানি থেকে মুক্ত থাকতে এ সময় একাধিক ধরনের ওষুধ ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে। ওষুধ চলা অবস্থায়ও রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। হাঁপানির সর্বোত্তম চিকিৎসা চলা অবস্থায় যদি রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, সেটাকে ফ্রাটাল অ্যাজমা বা সিভিয়ার অ্যাকিউট অ্যাজমা বলা হয়। তখন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। কারণ, তখন রোগীর নেবুলাইজেশন, স্টেরয়েড ইনজেকশন, অক্সিজেন, ক্ষেত্রবিশেষে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। যাঁরা সালবিউটামল সহ্য করতে পারেন না, নেবুলাইজেশনের সময় বিকল্প হিসেবে তাঁদের ফ্রুসেমাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা

শীতে হাঁপানি রোগীদের সতর্কতা

আপডেট সময় : ০৮:১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

শীত এবার একটু আগেভাগেই পড়তে শুরু করেছে। সকালে কুয়াশা ও শিশির। তার ওপর রয়েছে পাতাঝরা দিনে শুষ্কতা বেড়ে যাওয়ার সমস্যা।
আর এ শুষ্কতা আর ধুলাবালু বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে রাজধানীতে বায়ুদূষণের মাত্রা সম্প্রতি বেশি দেখা যাচ্ছে। যাঁদের অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে, তাঁদের জন্য সময়টা কষ্টের। শীতের শুরুতেই তাঁদের সতর্ক হতে হবে, দরকার কিছুটা বাড়তি সচেতনতা।

আমরা জানি, হাঁপানি কখনো সেরে যায় না। কিন্তু চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। জেনে রাখা ভালো কোন কোন বিষয় হাঁপানি বাড়িয়ে দেয় এবং এর প্রতিরোধে কী কী করণীয়।
যেসব বিষয় থেকে অ্যালার্জি হয়, সেগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। যেমন ধুলা ও বায়ূদুষণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পরুন। ধুলাবালু ঝাড়ার সময় দূরে থাকুন।
শিশুদের হাঁপানি আছে কি না, তা জানতে নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করাতে হবে। ফুসফুসের স্পাইরোমেটরি পরীক্ষা করাতে হবে।
অ্যালার্জি পরীক্ষা করানো যায়।

পশুর লোমে বা পাখির পালকে অ্যালার্জি থাকলে পশুপাখি থেকে দূরে থাকতে হবে।
ঠান্ডা লাগানো যাবে না। আবহাওয়া অনুযায়ী গরম পোশাক পরুন।
হাঁপানি রোগীদের এ সময় ব্যাগে ইনহেলার রাখতে হবে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য।
ঘরোয়াভাবে অল্প পরিমাণ শর্ষের তেল হাতের তালুতে নিয়ে বুকে মালিশ করা যেতে পারে। অনেক সময় বাষ্পস্নানও কাজে দেয়।

শীতের শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রাখা ভালো। তিনি এ সময় ওষুধের তারতম্য করতে পারেন।
হাঁপানি থেকে মুক্ত থাকতে এ সময় একাধিক ধরনের ওষুধ ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে। ওষুধ চলা অবস্থায়ও রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। হাঁপানির সর্বোত্তম চিকিৎসা চলা অবস্থায় যদি রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, সেটাকে ফ্রাটাল অ্যাজমা বা সিভিয়ার অ্যাকিউট অ্যাজমা বলা হয়। তখন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। কারণ, তখন রোগীর নেবুলাইজেশন, স্টেরয়েড ইনজেকশন, অক্সিজেন, ক্ষেত্রবিশেষে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। যাঁরা সালবিউটামল সহ্য করতে পারেন না, নেবুলাইজেশনের সময় বিকল্প হিসেবে তাঁদের ফ্রুসেমাইড ইনজেকশন দেওয়া হয়।