চকরিয়ায় ৮ বছর বয়সী শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে নির্যাতনের পর হ-ত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে চকরিয়া। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চকরিয়া আইনজীবী সমিতি।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কোর্ট সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, নিষ্পাপ শিশু ওয়াহিদুল ইসলামকে নির্যাতনের পর নৃশংসভাবে হ-ত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার সম্পন্ন করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আন্দোলন চলাকালে আদালত চত্বরে ‘অপ-রাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি চাই’, ‘খু-নিদের বিচার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের।পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আশ্বাস দেওয়া হলে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম (৮)। দুইদিন পর মঙ্গলবার ফজুমিয়াজির চর এলাকার মাতামুহুরী খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে শিশুটিকে নির্যাতনের পর শ্বাসরোধে হ-ত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে দাঁড়াবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে চকরিয়া আইনজীবী সমিতি। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, শিশু ওয়াহিদের মৃ-ত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তারা দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
সাইফুল ইসলাম সাইফ: 
























