ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঁকখালী নয়, রামু অথবা ঈদগাঁও উপজেলার সাথে থাকতে চেয়ে ঈদগড়বাসীর স্মারকলিপি কক্সবাজারে বহুল প্রত্যাশিত মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‎ একরাম হত্যায় মিফতাহ ও বদিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সাতকানিয়ার জাবেদের মৃত্যু মহাসড়কে অভিযান, চারটি বাসকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা , ৭ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ লোহাগাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রবীণ আইনজীবী প্রফেসর নুর আহমদ এডভোকেটের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী ২৬ আগস্ট আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল আমেরিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের নতুন হোস্টেল একনেকে অনুমোদন ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখণ্ডিত, নিউজিল্যান্ডের এক পরিবারের ৩ সদস্য উদ্ধার: শিশু নিখোঁজ অশ্রুজলে ২৫ আগস্ট স্মরণ: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট চাইলো লাখো রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি দ্রুত সকল রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলে নিখোঁজ

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।