ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মহেশখালীতে শহীদ তানভীরের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন পেকুয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু কলাতলীতে পাহাড় ধসে ৫ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত : আহত ৩ মেরিন ড্রাইভে মিনিট্রাক উল্টে আহত ৮ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় এমপি স্বপ্না- গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে এখন গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: অপহৃত ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: শহীদ ওয়াসিমের কবরে প্রশাসনের শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২৪’র গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে: ড. ইউনূস

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মহেশখালীতে শহীদ তানভীরের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।