ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়কে ঝরলো স্ত্রীসহ দু’জনের প্রাণ যাবজ্জীবনের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মগোপন, অবশেষে ধরা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী সিএনজির ইঞ্জিন বক্সে ২৩ হাজার ইয়াবা, চালক আটক আদালতে সোহেল রানার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা, স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ : পাহাড়তলীতে যুবক নিহত, আহত ২ উখিয়ায় সহযোগী সংগঠনের চার নেতা ইউনিয়ন বিএনপির পদে! উখিয়ায় বিএনপির আট ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত, আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম বাজারঘাটায় চার প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিশ হাজার টাকা জরিমানা ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ছবি ফেসবুকে দিলেন ওসি! পাটের ব্যাগে ৩৮ হাজার ইয়াবা,আলীর জাহালে যুবক আটক রামুতে আসনের নিচে লুকানো ৮ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক ঈদগাঁওতে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর সৈকতে নতুন কার্ড বন্ধ, নবায়ন নিয়েও কঠোর সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়কে ঝরলো স্ত্রীসহ দু’জনের প্রাণ

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।