রামুর রাজারকুলে কৃষিজমির টপসয়েল কেটে একটি কালভার্ট ও পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এক বিসিএস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রামু উপজেলার পূর্ব রাজারকুল গ্রামের জ্ঞানান্বেষণ পাঠাগারের সামনে অবস্থিত গ্রামের পানি চলাচলের একমাত্র কালভার্ট ও পাশের পুকুরটিতে মাটি ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পূর্ব রাজারকুল গ্রামের বাসিন্দা প্রবুজ বড়ুয়া কৃষিজমির টপসয়েল কেটে পিকআপে করে এনে কালভার্ট ও পুকুরের একটি বড় অংশ ভরাট করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি, তারা একাধিকবার বাধা দিলেও প্রবুজ বড়ুয়া কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে আইনজীবী ও পরিবেশ কর্মী অ্যাডভোকেট শিপ্ত বড়ুয়া বলেন, এর আগেও তিনি প্রবুজ বড়ুয়াকে এ ধরনের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করেছিলেন। তার মতে, পানি আইন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ভূমি অপরাধ আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং এতে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান রয়েছে। তিনি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।
উল্লেখ্য, রাজারকুলসহ রামু উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কৃষিজমির টপসয়েল কাটার অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশ কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি।
এ প্রসঙ্গে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফজলে রাব্বানী চৌধুরী জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এরআগে শুক্রবার সকালে ঘটনার বিষয়ে রামু থানাকে অবহিত করা হলে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে নজরদারি করা হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবুজ বড়ুয়া বলেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে সংশ্লিষ্ট কালভার্টটি প্রায় বিকল অবস্থায় ছিল। তিনি দাবি করেন, নিজের পরিত্যক্ত ডোবায় মাটি ভরাট করছে এবং অভিযোগের সাথে ঘটনার বাস্তবতার মিল নেই দাবি করেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















