ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সুপার ডাইকের জন্য বরাদ্দ চাইলেন সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ

পি ও জামায়েত ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া বঙ্গোপসাগর বেষ্টিত পৃথক দুইটি উপজেলা । এর মধ্যে রয়েছে পৃথক তিনটি দ্বীপ। এখানে অনেক রিসোর্স ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিরাজমান। মানুষের সম্পদ ও জীবন রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ এবং  অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্য থাকাকালে আমি  অব্যাহতভাবে চেষ্টা  করেছি। এখনো সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পে ধলঘাট – মাতারবাড়ী,  এবং কুতুবদিয়া  এ দুইটি দ্বীপ অর্ন্তভুক্ত হলেও সোনাদিয়া দ্বীপকে কেন প্রকল্পের বাহিরে রাখা হয়েছে তা বোধগম্য নয়।   প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল করতে হলে সরকারকে  প্রথমত: প্রকল্পের মধ্যে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি বিশেষ করে  দূর্নীতি মাধ্যমে দেশের অর্থ লুটপাটের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল  কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে ।দ্বিতীয়ত:সরকার কর্তৃক  প্রকল্পের ত্রুটি বিচ্যুতি  যাচাই পূর্বক  তা পুন:মূল্যায়ন করা হলে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণীত প্রাক্কলিত অতিরিক্ত ব্যয় কমে আসবে।

তৃতীয়ত: সোনাদিয়া দ্বীপ এবং  দ্বীপে বসবাসরত মানুষের জীবন রক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সোনাদিয়াকে সুপার ডাইক প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত করতে হবে।

অতপর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিলে দেশের  অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সেইসাথে  মহেশখালী – কুতুবদিয়ার মানুষের জীবন থেকে প্রতিবছর  আপনজন ও বিপুল সম্পদ হারানোর দু:খ- বেদনা দূর হবে।

তাই আমি ৫ লক্ষাধিক  অবহেলিত দ্বীপবাসীর নিরাপদ জীবন যাপন ও তাদের স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্যে  আগামী বাজেটে সুপার ডাইক প্রকল্পে  অর্থ বরাদ্দ রাখার জন্য  সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন

This will close in 6 seconds

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সুপার ডাইকের জন্য বরাদ্দ চাইলেন সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

পি ও জামায়েত ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া বঙ্গোপসাগর বেষ্টিত পৃথক দুইটি উপজেলা । এর মধ্যে রয়েছে পৃথক তিনটি দ্বীপ। এখানে অনেক রিসোর্স ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিরাজমান। মানুষের সম্পদ ও জীবন রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ এবং  অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্য থাকাকালে আমি  অব্যাহতভাবে চেষ্টা  করেছি। এখনো সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পে ধলঘাট – মাতারবাড়ী,  এবং কুতুবদিয়া  এ দুইটি দ্বীপ অর্ন্তভুক্ত হলেও সোনাদিয়া দ্বীপকে কেন প্রকল্পের বাহিরে রাখা হয়েছে তা বোধগম্য নয়।   প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল করতে হলে সরকারকে  প্রথমত: প্রকল্পের মধ্যে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি বিশেষ করে  দূর্নীতি মাধ্যমে দেশের অর্থ লুটপাটের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল  কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে ।দ্বিতীয়ত:সরকার কর্তৃক  প্রকল্পের ত্রুটি বিচ্যুতি  যাচাই পূর্বক  তা পুন:মূল্যায়ন করা হলে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণীত প্রাক্কলিত অতিরিক্ত ব্যয় কমে আসবে।

তৃতীয়ত: সোনাদিয়া দ্বীপ এবং  দ্বীপে বসবাসরত মানুষের জীবন রক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সোনাদিয়াকে সুপার ডাইক প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত করতে হবে।

অতপর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিলে দেশের  অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সেইসাথে  মহেশখালী – কুতুবদিয়ার মানুষের জীবন থেকে প্রতিবছর  আপনজন ও বিপুল সম্পদ হারানোর দু:খ- বেদনা দূর হবে।

তাই আমি ৫ লক্ষাধিক  অবহেলিত দ্বীপবাসীর নিরাপদ জীবন যাপন ও তাদের স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্যে  আগামী বাজেটে সুপার ডাইক প্রকল্পে  অর্থ বরাদ্দ রাখার জন্য  সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।