ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য চুরি-ছিনতাই রোধ, পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
কক্সবাজারে গড়ে ৯৯ মি.মি. বৃষ্টি

বিপদসীমার কাছাকাছি মাতামুহুরি ও বাঁকখালীর পানি

সপ্তাহব্যাপী টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ৮০টিরও বেশি গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসন সজিব বলছেন, “টানা বৃষ্টিতে পুরো জেলার আনুমানিক ৮০টি গ্রামের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।”

মাতামুহুরী নদীর পানি উপচে পড়ায় চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় দুই হাজারের এর বেশি ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এই এসব উপজেলায় অন্তত দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি উঠে এসেছে। ফলে নদীর পাড়ের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।”

তিনি বলেন, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার কিছু বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেগুলোর সংস্কার কাজ চলছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ বি হান্নান বলছেন, জুলাই মাসের প্রথম সাত দিনে জেলায় ৬৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
“এটি ভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়, কারণ কক্সবাজারে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।”

হান্নান বলেন, “জুলাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের মাস। এ মাসে গড়ে ২২ দিন বৃষ্টি হয়। চলমান এই বৃষ্টির প্রবণতা ৯ জুলাই থেকে কিছুটা কমবে। এরপর ২-৩ দিনের বিরতি দিয়ে আবার বাড়তে পারে।”

“গত বছর কক্সবাজারে জুলাই মাসে ১ হাজার ৭০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। চলতি মাসে সেই রেকর্ড ভাঙতে পারে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

কক্সবাজারে গড়ে ৯৯ মি.মি. বৃষ্টি

বিপদসীমার কাছাকাছি মাতামুহুরি ও বাঁকখালীর পানি

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

সপ্তাহব্যাপী টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করায় কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ৮০টিরও বেশি গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসন সজিব বলছেন, “টানা বৃষ্টিতে পুরো জেলার আনুমানিক ৮০টি গ্রামের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।”

মাতামুহুরী নদীর পানি উপচে পড়ায় চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় দুই হাজারের এর বেশি ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এই এসব উপজেলায় অন্তত দশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ তথ্য জানিয়ে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি উঠে এসেছে। ফলে নদীর পাড়ের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।”

তিনি বলেন, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপজেলার কিছু বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেগুলোর সংস্কার কাজ চলছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ এ বি হান্নান বলছেন, জুলাই মাসের প্রথম সাত দিনে জেলায় ৬৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
“এটি ভারি বৃষ্টিপাত হিসেবে ধরা হয়, কারণ কক্সবাজারে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।”

হান্নান বলেন, “জুলাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের মাস। এ মাসে গড়ে ২২ দিন বৃষ্টি হয়। চলমান এই বৃষ্টির প্রবণতা ৯ জুলাই থেকে কিছুটা কমবে। এরপর ২-৩ দিনের বিরতি দিয়ে আবার বাড়তে পারে।”

“গত বছর কক্সবাজারে জুলাই মাসে ১ হাজার ৭০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছিল। চলতি মাসে সেই রেকর্ড ভাঙতে পারে।”