‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহীদ হিসেবে কবুল করেছেন।’
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টায় ওসমান হাদির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এমন স্ট্যাটাসে তাঁর মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ই ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। বেলা দুইটা ২৫ মিনিটে একটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে নেওয়া হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। তাঁর অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে চিকিৎসকরা জানান। গত সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঝালকাঠির নলছিটি শহরের খাসমহল এলাকা তাঁর বাড়ী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, ‘ওসমান হাদি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরেই অপারেশন করবার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’ তার কয়েক ঘন্টা পরই হাদি চলে যান না ফেরার দেশে।
এদিকে ওসমান হাদির মৃত্যুতে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠে রাতের কক্সবাজার। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে কক্সবাজার শহরের কালুরমদেকান থেকে হাদি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে একই সময়ে বাসটার্মিনাল এলাকায় হাদির হত্যাকারিদের ফাঁসির দাবী তে ব্লকেড কর্মসূচী পালন করে বিক্ষোভকারীরা। এসময় সড়ক অবরোধ করে মিছিল করতে থাকে এবং হাদির হত্যাকারীদে ফাঁসির দাবী জানায়।
বিশেষ প্রতিবেদক 






















