ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে ‘জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার’ পোস্টাল ভোট সম্পন্ন: কক্সবাজার–৩ এ সবচেয়ে বেশি ভোটগ্রহণ ঝিলংজায় অগ্নিকাণ্ডে তিন বসতঘর ভস্মীভূত নির্বাচনে যেকোনও অস্ত্রই থ্রেট: আইজিপি

দুপুরে এফডিসিতে অঞ্জনাকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী অঞ্জনা৷ তার আগে মরদেহ নেয়া হবে এফডিসিতে, জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা৷

এমনটাই জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর। তিনি জানান, অঞ্জনাকে শনিবার বাদ যোহর এফডিসিতে নেয়া হবে। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন চলচ্চিত্রের সহকর্মী থেকে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরা। পরে সেখানেই হবে প্রথম নামাজে জানাজা।

এফডিসি থেকে অঞ্জনার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বনানী কবরস্থানে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হবে। এ বিষয়ে মিশা জানান, পরিবারের সাথে কথা বলে জেনেছি, তাদের প্রথম চয়েস বনানী কবরস্থান, সেখানে কোনো কারণে দাফন করা না গেলে জুরাইন কবরস্থান বিকল্প হিসেবে ভেবে রাখা হয়েছে।

৩ শতাধিক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী অঞ্জনা। ১৯৮১ সালে ‘গাংচিল’ এবং ১৯৮৬ সালে ‘পরিণীতা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি৷ এছাড়া তিনি মোহনা (১৯৮৩), পরিণীতা (১৯৮৬) এবং রাম রহিম জন (১৯৮৯) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।

চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে তিনি একজন নামী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। অঞ্জনার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’ চলচ্চিত্র দিয়ে। তবে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত দস্যু বনহুর (১৯৭৬)। রহস্য ভিত্তিক এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন সোহেল রানা।

১৯৭৮ সালে তিনি আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘অশিক্ষিত’ চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে লাইলি চরিত্রে অভিনয় করেন। রাজ্জাকের বিপরীতে তিনি ৩০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়া আলমগীর, জসিম, বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, ফারুক, ইলিয়াস জাভেদ , মিঠুন চক্রবর্তী, (ভারত) ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল চৌধুরী, রুবেল, সুব্রত বড়ুয়া, মান্নার মতো তারকা নায়কদের সাথে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হন।

প্রসঙ্গত,  রাজধানীর পিজি হাসপাতালে বিগত তিন দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন অঞ্জনা। তার আগে ২৪ ডিসেম্বর নায়িকা অঞ্জনাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার জ্বর ছিল।

পরে চিকিৎসকরা জানান, তার ব্লাড ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে গেছে। এর ফলে হার্ট ও কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। ফুসফুসে পানি জমেছে। এর মধ্যে স্ট্রোকও হয় একবার। শুক্রবার দিনগত রাত ১টা ১০ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি

This will close in 6 seconds

দুপুরে এফডিসিতে অঞ্জনাকে শেষ শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

শনিবার বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী অঞ্জনা৷ তার আগে মরদেহ নেয়া হবে এফডিসিতে, জানানো হবে শেষ শ্রদ্ধা৷

এমনটাই জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর। তিনি জানান, অঞ্জনাকে শনিবার বাদ যোহর এফডিসিতে নেয়া হবে। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন চলচ্চিত্রের সহকর্মী থেকে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরা। পরে সেখানেই হবে প্রথম নামাজে জানাজা।

এফডিসি থেকে অঞ্জনার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বনানী কবরস্থানে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন করা হবে। এ বিষয়ে মিশা জানান, পরিবারের সাথে কথা বলে জেনেছি, তাদের প্রথম চয়েস বনানী কবরস্থান, সেখানে কোনো কারণে দাফন করা না গেলে জুরাইন কবরস্থান বিকল্প হিসেবে ভেবে রাখা হয়েছে।

৩ শতাধিক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী অঞ্জনা। ১৯৮১ সালে ‘গাংচিল’ এবং ১৯৮৬ সালে ‘পরিণীতা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য দুইবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি৷ এছাড়া তিনি মোহনা (১৯৮৩), পরিণীতা (১৯৮৬) এবং রাম রহিম জন (১৯৮৯) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বিভাগে তিনবার বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন।

চলচ্চিত্র জগতে আসার আগে তিনি একজন নামী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। অঞ্জনার অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’ চলচ্চিত্র দিয়ে। তবে তার মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত দস্যু বনহুর (১৯৭৬)। রহস্য ভিত্তিক এই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন সোহেল রানা।

১৯৭৮ সালে তিনি আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘অশিক্ষিত’ চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে লাইলি চরিত্রে অভিনয় করেন। রাজ্জাকের বিপরীতে তিনি ৩০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়া আলমগীর, জসিম, বুলবুল আহমেদ, জাফর ইকবাল, ওয়াসিম, উজ্জ্বল, ফারুক, ইলিয়াস জাভেদ , মিঠুন চক্রবর্তী, (ভারত) ইলিয়াস কাঞ্চন, সোহেল চৌধুরী, রুবেল, সুব্রত বড়ুয়া, মান্নার মতো তারকা নায়কদের সাথে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হন।

প্রসঙ্গত,  রাজধানীর পিজি হাসপাতালে বিগত তিন দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন অঞ্জনা। তার আগে ২৪ ডিসেম্বর নায়িকা অঞ্জনাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তার জ্বর ছিল।

পরে চিকিৎসকরা জানান, তার ব্লাড ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে গেছে। এর ফলে হার্ট ও কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। ফুসফুসে পানি জমেছে। এর মধ্যে স্ট্রোকও হয় একবার। শুক্রবার দিনগত রাত ১টা ১০ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।