ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চন্দ্রিমায় আবু বক্কর মার্কেট দখলচেষ্টার মামলায় নুরুল ইসলাম ও আরাফাতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণ, নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার কক্সবাজারে জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণ ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড় ধসে নিহত পরিবারে পাশে সরওয়ার সাইদ মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবু সাঈদ এই আন্দোলনের শহীদদের ইমাম: নাহিদ ইসলাম ৭৫ মিনিটের পর ১১ গোল: আর্জেন্টিনা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর অন্য নাম

দুই প্রতিবন্ধীর বিয়ে দিলেন সেচ্ছাসেবকদল নেতা

পেকুয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহর অর্থায়নে দুই বাক প্রতিবন্ধীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উভয় পরিবারের সম্মতিতে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

মঙ্গলবার বিকাল তিন টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা বরের বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের বর বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ জাহেদ উল্লাহ(৩৬) এবং কনে সোমাইয়া জন্নাত(২১)। বর ওই এলাকার মো.ছৈয়দ উল্লাহর ছেলে এবং কনে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছমি উদ্দিন পাড়া এলাকার সিরাজুল করিমের মেয়ে।

জানা গেছে, গ্রাম-বাংলার অন্য দশ জনের বিয়ের মতো তারা দুই জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। দুপুর দেড়টার দিকে বরযাত্রীদের সঙ্গে মাথায় টুপি পড়ে নোহা গাড়ীর সামনে সিটে বসে কনের বাড়িতে যান বর। পরে কনের বাড়ি লোকজনে বরযাত্রীদের বরণ করেন। সেখানে কনে পক্ষের লোকজন তাদের আতিথেয়তা ও আপ্যায়ন শেষ করেন। সব শেষ করে বর যাত্রীরা কনে সুমাইয়াকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরে বরের বাড়িতে ১ লক্ষ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বরের পিতা ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, আমরা উভয় পরিবার আহসান উল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ তার উদ্যোগে আমি ছেলের বিয়ে সম্পন্ন করতে পেরেছি। তাদের সংসার যেন সুখের হয় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ বলেন, কনে এবং বর দুইজনই পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা তবে ইউনিয়ন ভিন্ন। তারা দুইজনেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং তাদের পরিবার নিতান্ত অসহায়। সে দৃষ্টিকোন থেকে নিজে উদ্যোগ নিয়েছি এবং তাদের বিয়ে সম্পন্ন করতে সবকিছু মিলিয়ে ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের একটি ঘর করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং দ্রুত সময়ে তা করে দেব।

উপজেলা যুবদলের সভাপতি কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, প্রতিবন্ধীদের সমাজের বোঝা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আসলে তারা বোঝা নয়। তাদেরকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে তারাও আমাদের সম্পদ। দুই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীর বিয়ে দিয়ে সেচ্চাসেবক দলের আহ্বায়ক ও আমার সহযোদ্ধা আহসান উল্লাহ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। তার এমন কাজে সমাজের বিত্তবানদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দ্রিমায় আবু বক্কর মার্কেট দখলচেষ্টার মামলায় নুরুল ইসলাম ও আরাফাতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

দুই প্রতিবন্ধীর বিয়ে দিলেন সেচ্ছাসেবকদল নেতা

আপডেট সময় : ১২:১৮:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

পেকুয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহর অর্থায়নে দুই বাক প্রতিবন্ধীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উভয় পরিবারের সম্মতিতে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

মঙ্গলবার বিকাল তিন টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা বরের বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের বর বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ জাহেদ উল্লাহ(৩৬) এবং কনে সোমাইয়া জন্নাত(২১)। বর ওই এলাকার মো.ছৈয়দ উল্লাহর ছেলে এবং কনে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছমি উদ্দিন পাড়া এলাকার সিরাজুল করিমের মেয়ে।

জানা গেছে, গ্রাম-বাংলার অন্য দশ জনের বিয়ের মতো তারা দুই জনের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। দুপুর দেড়টার দিকে বরযাত্রীদের সঙ্গে মাথায় টুপি পড়ে নোহা গাড়ীর সামনে সিটে বসে কনের বাড়িতে যান বর। পরে কনের বাড়ি লোকজনে বরযাত্রীদের বরণ করেন। সেখানে কনে পক্ষের লোকজন তাদের আতিথেয়তা ও আপ্যায়ন শেষ করেন। সব শেষ করে বর যাত্রীরা কনে সুমাইয়াকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরে বরের বাড়িতে ১ লক্ষ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বরের পিতা ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, আমরা উভয় পরিবার আহসান উল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ তার উদ্যোগে আমি ছেলের বিয়ে সম্পন্ন করতে পেরেছি। তাদের সংসার যেন সুখের হয় তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ বলেন, কনে এবং বর দুইজনই পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা তবে ইউনিয়ন ভিন্ন। তারা দুইজনেই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এবং তাদের পরিবার নিতান্ত অসহায়। সে দৃষ্টিকোন থেকে নিজে উদ্যোগ নিয়েছি এবং তাদের বিয়ে সম্পন্ন করতে সবকিছু মিলিয়ে ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের একটি ঘর করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং দ্রুত সময়ে তা করে দেব।

উপজেলা যুবদলের সভাপতি কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, প্রতিবন্ধীদের সমাজের বোঝা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আসলে তারা বোঝা নয়। তাদেরকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে তারাও আমাদের সম্পদ। দুই বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীর বিয়ে দিয়ে সেচ্চাসেবক দলের আহ্বায়ক ও আমার সহযোদ্ধা আহসান উল্লাহ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। তার এমন কাজে সমাজের বিত্তবানদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।