ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি? সেন্ট মার্টিনের কাছে ধরা পড়ল পাঁচ মণ ওজনের বোল মাছ, বিক্রি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান নিজের পুরস্কার উৎসর্গ করলেন দর্শকদের উখিয়া–টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় মা-মেয়েকে মারধর, পরে ১ মাসের জেল রামুতে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাকাত মালেকের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত উখিয়ার থাইংখালীতে পাহাড় কেটে সাবাড়, ড্রাম ট্রাক আটক মাদকের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা- ইয়াবা ও দুই সঙ্গীসহ পুলিশের জালে যুবদল নেতা সাংবাদিক আনিস আলমগীরের হাইকোর্টে জামিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কক্সবাজারে আসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ খালেদা জিয়াসহ যারা পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রবাসীর স্ত্রীর মামলা, উখিয়ার জামায়াত নেতা কারাগারে নাফ নদীর তীরে মিলল বিপুল পরিমাণের অস্ত্র-গোলাবারুদ

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি?

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

আপডেট সময় : ১২:১৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।