ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য চুরি-ছিনতাই রোধ, পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা জনরায় উপেক্ষিত হলে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

কক্সবাজারে সম্পন্ন হয়েছে ‘জেন্ডার এটিকেট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কক্সবাজারে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘জেন্ডার এটিকেট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের ১০ম ব্যাচ।
এতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় বিভিন্ন বাস অপারেটিং প্রতিষ্ঠানের ড্রাইভার ও সুপারভাইজাররা। এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল পর্যটক ও যাত্রীদের প্রতি পেশাদার, শালীন ও লিঙ্গ-সংবেদনশীল আচরণ নিশ্চিত করা, যাতে কক্সবাজার হয়ে উঠে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও পর্যটকবান্ধব গন্তব্য।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের শেখানো হয় কিভাবে পর্যটকদের সাথে সৌজন্যমূলক ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখা যায় এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করে একটি সমতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটনখাতে আন্তর্জাতিক মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এন সি সি ডব্লিউ, কক্সবাজারের জেলা কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ছয় লেনে উন্নিত করা গেলে পর্যটন শিল্পে বিল্পব ঘটবে। পাশাপাশি,ট্রান্সপোর্ট সেক্টর বিশেষ করে বাস সংশ্লিষ্ট কর্মীদের উচিত পর্যটকদের সাথে সর্বোচ্চ বিনয়ের সাথে সেবা দেয়া যেন পর্যটকেরা বার বার কক্সবাজারে আসতে উদ্ধুত হয়। তিনি আইএলও এবং এনরুটকে ধন্যবাদ জানান এমন উদ্যেগের জন্য”।
এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর আইজেক (ISEC) প্রকল্পের অংশ হিসেবে, যার বাস্তবায়ন করছে এনরুট। প্রকল্পটি পর্যটনখাতকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে যুব ও নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বাস ড্রাইভার এবং সুপারভাইজাররা অঙ্গিকার করেন যে, তারা প্রতিটি ট্রিপেই যাত্রীদের কক্সবাজার শহরে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও ময়লা না ফেলার অনুরোধ করবেন এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে সেবা দিবেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি

কক্সবাজারে সম্পন্ন হয়েছে ‘জেন্ডার এটিকেট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

আপডেট সময় : ১০:০৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

কক্সবাজারে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘জেন্ডার এটিকেট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের ১০ম ব্যাচ।
এতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় বিভিন্ন বাস অপারেটিং প্রতিষ্ঠানের ড্রাইভার ও সুপারভাইজাররা। এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল পর্যটক ও যাত্রীদের প্রতি পেশাদার, শালীন ও লিঙ্গ-সংবেদনশীল আচরণ নিশ্চিত করা, যাতে কক্সবাজার হয়ে উঠে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও পর্যটকবান্ধব গন্তব্য।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের শেখানো হয় কিভাবে পর্যটকদের সাথে সৌজন্যমূলক ও পেশাদার আচরণ বজায় রাখা যায় এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করে একটি সমতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা যায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কক্সবাজারের পর্যটনখাতে আন্তর্জাতিক মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এন সি সি ডব্লিউ, কক্সবাজারের জেলা কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক ছয় লেনে উন্নিত করা গেলে পর্যটন শিল্পে বিল্পব ঘটবে। পাশাপাশি,ট্রান্সপোর্ট সেক্টর বিশেষ করে বাস সংশ্লিষ্ট কর্মীদের উচিত পর্যটকদের সাথে সর্বোচ্চ বিনয়ের সাথে সেবা দেয়া যেন পর্যটকেরা বার বার কক্সবাজারে আসতে উদ্ধুত হয়। তিনি আইএলও এবং এনরুটকে ধন্যবাদ জানান এমন উদ্যেগের জন্য”।
এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর আইজেক (ISEC) প্রকল্পের অংশ হিসেবে, যার বাস্তবায়ন করছে এনরুট। প্রকল্পটি পর্যটনখাতকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে যুব ও নারীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বাস ড্রাইভার এবং সুপারভাইজাররা অঙ্গিকার করেন যে, তারা প্রতিটি ট্রিপেই যাত্রীদের কক্সবাজার শহরে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও ময়লা না ফেলার অনুরোধ করবেন এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে সেবা দিবেন।