ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হত্যা মামলার আসামি মুহুরি পাড়ার ছৈয়দ আলম গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে পাচারকালে ৩০ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্দ : আটক ৩ সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে স্বাস্থ্য খাতের ওপর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম মরিয়মের রেখে যাওয়া শেষ চিঠিগুলোতে কী লেখা ছিল? পুলিশ সুপারের সাথে নিহত একরামের পিতা-মাতার সাক্ষাত: সন্তান হত্যার বিচার দাবি পেকুয়ায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম শুভ আবির্ভাব উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী মহোৎসব সম্পন্ন বাফুফের একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে কালারমারছড়া ফুটবল একাডেমি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা বাইকের জন্য প্রাণ দিতে হলো সাইফুলকে! কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযান : ২৪ ঘন্টায় আটক ২১ সাবরাং থেকে মিঠাছড়ির ৫ অপহৃত উদ্ধার : গ্রেপ্তার ১

ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে রোহিঙ্গা বানিয়ে আ’লীগ নেতার মিথ্যা অপপ্রচার

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিমপাড়ার একই পরিবারের দুই সন্তানের ভোটার হওয়া নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকা দেশবিদেশসহ কয়েকটি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ পুরোপুরি মিথ্যা ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদে ​​আমান উল্লাহকে রোহিঙ্গা দাবি করে তার সন্তান—ছমিরা আকতার ও মো: রিদুয়ানের ভোটার কার্ড বাতিলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রিদুয়ান ও ছমিরা। তাদের দাবি, তারা ভোটার হওয়ার সময় আইনসম্মতভাবে সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং পূর্বপুরুষসহ সবাই বাংলাদেশী নাগরিক।

ছমিরা আকতার তাঁর পূর্ব পুরুষের পরিচিতি তুলে ধরে বলেন, আমার পরদাদা মৃত আজিজুর রহমান
আজিজুর রহমানের চার সন্তান
১. মৃত সোনালী
২. মৃত হাজী আব্দুল্লাহ
৩. মৃত আলী আহমদ সাওদাগর
৪. মৃত হাজী আব্দুল গফ্ফার
ঠিকানা : শাহ পরীর দ্বীপ, বাজার পাড়া, ৮ নং ওয়ার্ড, সাবরাং ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার
আমার দাদা : মৃত সোনালী
সোনালীর তিন সন্তান
১. মৃত খতিজা
২. আমান উল্লাহ
৩. মৃত শফি উল্লাহ
আমার বাবা আমান উল্লাহ, আমার চাচা শফি উল্লাহ ১৯৯৪ সালে লেদা হাজী মকতুল হোসাইন এর কাছ থেকে ৩৯ শতক জায়গা ক্রয় করে আমার বাবাকে সেই ভিটায় থাকতে দেয়।  এবং আমার চাচা তখন থেকে সৌদি আরব চলে যান। আর আমাদের যাবতীয় ডকুমেন্টস সেই ভিটার অবস্থানে।
১৯৯৪ থেকে লেদা বরইগাছতলা আমাদের বসতভিটা, আমাদের জন্ম সেই বসতভিটায় আর পড়াশুনা শুরু হয় বাড়ির পাশের ইবনে আব্বাস মাদ্রাসা থেকে। ২০০৭ সাল থেকে আমার বাবার সাথে একজনের জায়গার বিরোধ হয় এবং মৃত্যুর হুমকি দেয়। সেই থেকেমদীর্ঘ ১৭ বছর বাবা মানসিক রোগী

​ছমিরা আকতার বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ায় পরিবার-স্বজনদের যাবতীয় দলিলাদি জমা দেওয়া হয়েছে। ভুমিদস্যু স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলম গং অসৎ উদ্দেশ্যে পিতার নামে ভুয়া আইডি কার্ড জমা দেওয়ার মিথ্যা তথ্য রটিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলেন, মোহাম্মদ আলম ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে  দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ঈর্ষা থেকে তাদের হয়রানি করে আসছেন। তথ্যগুলো একপেশে ও সম্পূর্ণ বানোয়াট। বিশেষ করে, পিতার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়, যা পরিবারের মানহানি ঘটাচ্ছে। তারা মনে করেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা যার মাধ্যমে জমি হাতিয়ে নিতে চক্রান্ত চলছে।

তারা আরো বলেন, “আমরা বাংলাদেশী। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমরা আশা করি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে রোহিঙ্গা বানিয়ে আ’লীগ নেতার মিথ্যা অপপ্রচার

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিমপাড়ার একই পরিবারের দুই সন্তানের ভোটার হওয়া নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকা দেশবিদেশসহ কয়েকটি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ পুরোপুরি মিথ্যা ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদে ​​আমান উল্লাহকে রোহিঙ্গা দাবি করে তার সন্তান—ছমিরা আকতার ও মো: রিদুয়ানের ভোটার কার্ড বাতিলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রিদুয়ান ও ছমিরা। তাদের দাবি, তারা ভোটার হওয়ার সময় আইনসম্মতভাবে সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং পূর্বপুরুষসহ সবাই বাংলাদেশী নাগরিক।

ছমিরা আকতার তাঁর পূর্ব পুরুষের পরিচিতি তুলে ধরে বলেন, আমার পরদাদা মৃত আজিজুর রহমান
আজিজুর রহমানের চার সন্তান
১. মৃত সোনালী
২. মৃত হাজী আব্দুল্লাহ
৩. মৃত আলী আহমদ সাওদাগর
৪. মৃত হাজী আব্দুল গফ্ফার
ঠিকানা : শাহ পরীর দ্বীপ, বাজার পাড়া, ৮ নং ওয়ার্ড, সাবরাং ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার
আমার দাদা : মৃত সোনালী
সোনালীর তিন সন্তান
১. মৃত খতিজা
২. আমান উল্লাহ
৩. মৃত শফি উল্লাহ
আমার বাবা আমান উল্লাহ, আমার চাচা শফি উল্লাহ ১৯৯৪ সালে লেদা হাজী মকতুল হোসাইন এর কাছ থেকে ৩৯ শতক জায়গা ক্রয় করে আমার বাবাকে সেই ভিটায় থাকতে দেয়।  এবং আমার চাচা তখন থেকে সৌদি আরব চলে যান। আর আমাদের যাবতীয় ডকুমেন্টস সেই ভিটার অবস্থানে।
১৯৯৪ থেকে লেদা বরইগাছতলা আমাদের বসতভিটা, আমাদের জন্ম সেই বসতভিটায় আর পড়াশুনা শুরু হয় বাড়ির পাশের ইবনে আব্বাস মাদ্রাসা থেকে। ২০০৭ সাল থেকে আমার বাবার সাথে একজনের জায়গার বিরোধ হয় এবং মৃত্যুর হুমকি দেয়। সেই থেকেমদীর্ঘ ১৭ বছর বাবা মানসিক রোগী

​ছমিরা আকতার বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ায় পরিবার-স্বজনদের যাবতীয় দলিলাদি জমা দেওয়া হয়েছে। ভুমিদস্যু স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলম গং অসৎ উদ্দেশ্যে পিতার নামে ভুয়া আইডি কার্ড জমা দেওয়ার মিথ্যা তথ্য রটিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলেন, মোহাম্মদ আলম ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে  দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ঈর্ষা থেকে তাদের হয়রানি করে আসছেন। তথ্যগুলো একপেশে ও সম্পূর্ণ বানোয়াট। বিশেষ করে, পিতার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়, যা পরিবারের মানহানি ঘটাচ্ছে। তারা মনে করেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা যার মাধ্যমে জমি হাতিয়ে নিতে চক্রান্ত চলছে।

তারা আরো বলেন, “আমরা বাংলাদেশী। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমরা আশা করি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”