ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুয়েতে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৪৪৮ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪৭ জন চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ডাকছে ইরান: ট্রাম্প আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজে নিষেধাজ্ঞা দিল ইসরাইল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবার ইরানকে তাক করে টর্পেডো ছুড়ল যুক্তরাষ্ট্র উখিয়ার রেজুখালে রাতভর প্রার্থনার পর সকালে মিলল কিশোরের মরদেহ আজান পর্যন্ত সেহরি খেলে রোজা হবে কি না, জেনে নিন চট্টগ্রামে দরবেশকাটা সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল রাশিয়ার ফাঁদে ট্রাম্প! মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ‘বাদশা’ ইরান? কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি? সেন্ট মার্টিনের কাছে ধরা পড়ল পাঁচ মণ ওজনের বোল মাছ, বিক্রি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান নিজের পুরস্কার উৎসর্গ করলেন দর্শকদের উখিয়া–টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।

ট্যাগ :

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।