ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৈকতে খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রামের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী একটা ভোটের জন্য জামায়াত যা খুশি তাই বলছে- মহেশখালীতে সালাহউদ্দিন আহমদ আগামীর কক্সবাজারের জন্য উন্নয়ন ও সুশাসনের লক্ষ্যে নাগরিক সংলাপ পরবর্তী ১৩ দফা সুপারিশ ভোটাধিকার রক্ষায় আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে— মহেশখালীতে হামিদুর রহমান আযাদ নাইক্ষ্যংছড়িতে গণমিছিল / আমরা ভাতা নয়, কাজ দিব – সুজা সেনাবাহিনীর অভিযান; খুরুশকুলের মামুন ও কায়ছার দেশীয় অস্ত্রসহ আটক কারাবন্দী সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন মারা গেছেন আজ প্রিয়জনকে গোলাপ দেওয়ার দিন সীমান্তে গুলিবিদ্ধের ২৭ দিন পর হোয়াইক্যংয়ের হুজাইফার মৃত্যু ১২ ফেব্রুয়ারি : গণভোট, গোলাপী ব্যালেট ক্ষমতায় যাবে ১১ দলীয় জোট-মহেশখালীতে অলি আহমেদ ‘ আমিই মেজর জিয়াকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলাম ‘ – মহেশখালীতে কর্নেল অলি কক্সবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ৩২৯টি ভোটকেন্দ্র: ঝুঁকিতে দ্বীপ ও সীমান্ত এলাকা রামু বৌদ্ধ মন্দিরের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় বুড্ডিস্ট সোশ্যাল মুভমেন্ট বাংলাদেশ’র চিঠি
ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

  • আফজারা রিয়া
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 603

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৈকতে খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রামের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী

This will close in 6 seconds

ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”