ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাড. আহমেদ আযম খান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ: সালাহউদ্দিন আহমদ ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার

১৫ বছর যে বিএনপির জন্য লড়াই করলাম, তারাই এখন ধাক্কা দেয়: রুমিন ফারহানা

রোববার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটরিয়ামে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তাবিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দাবি-আপত্তি আবেদনের শুনানিতে এ ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

এনসিপির কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন,

উনি যেহেতু পরিচিত মুখ নয় সুতরাং উনি জামায়াত না এনসিপি আমার জানা নেই। তবে উনার লোকজন প্রথম আমাকে ধাক্কা দিয়েছেন। আমার লোকজন তো বসে থাকবে না, কারণ আমি একজন নারী। আমার লোকজনকে মারধর করেছে, তখন আমার লোকজন জবাব দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলেছি ২০০৮ সালের আগের সীমানায় আমরা ফিরতে চাই। আমিও মনে করি ২০০৮ এর আগে যে সীমানা ছিল সেখানেই আমাদেরকে এখন ফিরে যাওয়া উচিত। মাঝখানে ১৫ বছর একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল যারা তাদের নিজস্ব ভোট কারচুপির জন্য নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করেছে। সেই সীমানা আমরা মানি না। সেজন্য আমরা বলেছি ২০০৮ এর আগে যে সীমানা ছিল, খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল সেখানে যাওয়া হোক।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হলো এখানে একটি মারামারি হয়েছে। আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি মনে করেছি আমার কেস আমি নিজেই প্রেজেন্ট করব।

তিনি বলেন,
আমি আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সম্মানের দিকে তাকিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এ যারা আছেন তারা গুণ্ডাপাণ্ডা নিয়ে ঢুকবে না নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমি দেখলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩ এ যিনি প্রার্থী, তিনি তার দলবল মানে ২০ থেকে ২৫ জন গুণ্ডাপাণ্ডার মতন, তারা সেখানে আচার আচরণ করলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় এটি, অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং আমি মনে করি এটা কমিশনের যে ভাবমূর্তি যে গাম্ভীর্য এবং যে সম্মান সেইটার সঙ্গে এটা যায় না।

এখনও নির্বাচন আসে নাই, একটা সীমানা নির্ধারণ নিয়ে এলাকার মানুষজনকে পিটিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নিয়েছেন বলেও এ সময় অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিওয়ে নির্বাচন কমিশনে আমরা প্রেজেন্ট করেছি। ভৌগোলিক দিক বিবেচনায়, জনসংখ্যা বিবেচনায় এবং সকল কিছুর বিবেচনায় আশা করব নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সেই সিদ্ধান্তই নির্বাচন কমিশন বহাল রাখবে বলেও জানান তিনি।

এক সাংবাদিদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, একজন আমাকে ধাক্কা দিয়েছেন। পাঞ্জাবে পরা একজন ধাক্কা দিয়েছেন। তারপরে আমার লোক তো বসে থাকবে না, আমি তো একজন নারী এবং পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করেছে, আমার লোকজন জবাব দিয়েছে। সিম্পল যেটা ১৫ বছরে হয় নাই সেটা আজকে হয়েছে। আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যেই বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়।

সূত্র: সময়

ট্যাগ :

১৫ বছর যে বিএনপির জন্য লড়াই করলাম, তারাই এখন ধাক্কা দেয়: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

রোববার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটরিয়ামে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তাবিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দাবি-আপত্তি আবেদনের শুনানিতে এ ঘটনা ঘটে। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

এনসিপির কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন,

উনি যেহেতু পরিচিত মুখ নয় সুতরাং উনি জামায়াত না এনসিপি আমার জানা নেই। তবে উনার লোকজন প্রথম আমাকে ধাক্কা দিয়েছেন। আমার লোকজন তো বসে থাকবে না, কারণ আমি একজন নারী। আমার লোকজনকে মারধর করেছে, তখন আমার লোকজন জবাব দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলেছি ২০০৮ সালের আগের সীমানায় আমরা ফিরতে চাই। আমিও মনে করি ২০০৮ এর আগে যে সীমানা ছিল সেখানেই আমাদেরকে এখন ফিরে যাওয়া উচিত। মাঝখানে ১৫ বছর একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল যারা তাদের নিজস্ব ভোট কারচুপির জন্য নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করেছে। সেই সীমানা আমরা মানি না। সেজন্য আমরা বলেছি ২০০৮ এর আগে যে সীমানা ছিল, খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল সেখানে যাওয়া হোক।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হলো এখানে একটি মারামারি হয়েছে। আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি মনে করেছি আমার কেস আমি নিজেই প্রেজেন্ট করব।

তিনি বলেন,
আমি আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সম্মানের দিকে তাকিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ এ যারা আছেন তারা গুণ্ডাপাণ্ডা নিয়ে ঢুকবে না নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমি দেখলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৩ এ যিনি প্রার্থী, তিনি তার দলবল মানে ২০ থেকে ২৫ জন গুণ্ডাপাণ্ডার মতন, তারা সেখানে আচার আচরণ করলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় এটি, অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং আমি মনে করি এটা কমিশনের যে ভাবমূর্তি যে গাম্ভীর্য এবং যে সম্মান সেইটার সঙ্গে এটা যায় না।

এখনও নির্বাচন আসে নাই, একটা সীমানা নির্ধারণ নিয়ে এলাকার মানুষজনকে পিটিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নিয়েছেন বলেও এ সময় অভিযোগ করেন তিনি।

এ নিওয়ে নির্বাচন কমিশনে আমরা প্রেজেন্ট করেছি। ভৌগোলিক দিক বিবেচনায়, জনসংখ্যা বিবেচনায় এবং সকল কিছুর বিবেচনায় আশা করব নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সেই সিদ্ধান্তই নির্বাচন কমিশন বহাল রাখবে বলেও জানান তিনি।

এক সাংবাদিদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, একজন আমাকে ধাক্কা দিয়েছেন। পাঞ্জাবে পরা একজন ধাক্কা দিয়েছেন। তারপরে আমার লোক তো বসে থাকবে না, আমি তো একজন নারী এবং পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করেছে, আমার লোকজন জবাব দিয়েছে। সিম্পল যেটা ১৫ বছরে হয় নাই সেটা আজকে হয়েছে। আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যেই বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়।

সূত্র: সময়