ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম সোমবার কক্সবাজার আসছেন, যোগ দেবেন রামুর জাহাজভাসা উৎসবে সেন্টমার্টিনে ট্রাভেল পাস লাগবে কি, কত দিন রাতযাপন করা যাবে- জাহাজ ছাড়বে কোথা থেকে? ফানুসের রঙে আলোকিত রামু, প্রবারণা পূর্ণিমায় উৎসবমুখর বৌদ্ধ জনপদ কুতুবদিয়ার অবসরপ্রাপ্ত তহসিলদার আবদুল গফুর কুতুবী মারা গেছেন : সোমবার জানাজা ৯০ দশকের ছাত্রনেতা উখিয়ার কফিল উদ্দিন চৌধুরী আর নেই ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে ডাকাতির মামলায় ইমাম হোসেন গ্রেফতার নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে চলবে সেন্টমার্টিনের জাহাজ : দিতে হবে পরিবেশ ফি টেকনাফে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ১০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ মহেশখালীতে ট্রলি গাড়ি উল্টে শ্রমিকের মৃত্যু ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন টঙ্গীতে শিশু যৌ’ন নিপী’ড়নের অভিযোগ: মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষের জামিন নামঞ্জুর জুলাই অভ্যুত্থানের তিন মামলায় হাসিনাসহ ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে নিম্নচাপটি, কবে কোথায় আঘাত আগামীকাল থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস, টিকিট পাবেন যেভাবে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আজ

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম সোমবার কক্সবাজার আসছেন, যোগ দেবেন রামুর জাহাজভাসা উৎসবে

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

আপডেট সময় : ০৬:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।