ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অধিধ্বনির উদ্যোগে শিশুদের নাট্য কর্মশালা ‘অভিনয়ের হাতেখড়ি’র উদ্বোধন নিজেকে নির্দোষ দাবি টেকনাফের ফরিদের: র‍্যাব বলছে ১৭ মামলার পলাতক আসামী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ বাস্তবায়নে সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু জেলা প্রশাসনের অপহরণের দুই দিন পর কিশোর উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটেছে: সংসদে রাষ্ট্রপতি সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির ইরানি ড্রোনের আঘাতে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিধ্বস্ত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের প্রতিবাদ-ওয়াক আউট খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির মৃত্যুতে সংসদে শোকপ্রস্তাব কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অ্যাড. আহমেদ আযম খান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

ট্যাগ :

অধিধ্বনির উদ্যোগে শিশুদের নাট্য কর্মশালা ‘অভিনয়ের হাতেখড়ি’র উদ্বোধন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”