ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বদরখালীতে আলমগীর ফরিদের বহরে থাকা গাড়ীর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার মাতামুহুরী হচ্ছে কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ১২ মার্চ সংসদ বসছে, নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ভিসি নিয়াজ আহমদ খান চকরিয়ার কাকারায় ডাকাতের হামলায় মুজিবের মৃত্যু দাবী স্থানীয়দের: আঘাতের চিহ্ন নেই বলছে পুলিশ বিশ্বের সব দেশের ওপর শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প বাংলাদেশ-সৌদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী জানুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৫৪৬ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী, করবেন বইমেলার উদ্বোধন রমজানের অর্থনৈতিক দর্শন ‘চুল-দাঁড়ি পেকে সাদা হয়ে গেছে, আর কত!’  – জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিপন

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল

This will close in 6 seconds

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।