ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলারডুবি, তিন দিনেও উদ্ধার হননি পটুয়াখালীর ৬ জেলে ডুবে আছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ কক্সবাজারে কেন ভয়ংকর হয়ে উঠছে বর্ষা ১৯ অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায় কক্সবাজারসহ তিন জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়ন সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র ফের পাহাড়ধস : দরিয়ানগরে নারীর মৃত্যু

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলারডুবি, তিন দিনেও উদ্ধার হননি পটুয়াখালীর ৬ জেলে

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।