ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল লামায় ভাড়াবাসা থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের আভাস টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে ফাইনালের পর কাতারে আবারও মুখোমুখি হতে পারে স্পেন-আর্জেন্টিনা ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে আইন পাস বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।