ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে থাকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ: প্রতি ইউনিট ৪২ টাকা, আরও বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ গর্জনিয়া থেকে বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে গণ ডাকাতি’র নেতৃত্বে ছালেক,গড়ে তুলেছে হক বাহিনী!   টেকনাফে বসতঘর থেকে উদ্ধার কিং কোবরা, জাহাজপুরায় বনে অবমুক্ত জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে দোকান কর্মচারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ হিমছড়িতে গোসলে নেমে সানি, আকাশ ও হারুনের মৃত্যু রামুর বাঁকখালী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব ধর্মের,বর্ণের মানুষের উন্নয়ন করা হবে- কক্সবাজার সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে মীর হেলাল হিমছড়িতে সৈকতে গোসলে নেমে ২ পর্যটক নিখোঁজ: ৩ জনের মৃত্যু টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন সমুদ্রে জনসমুদ্র বিসর্জনে যা অর্জন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্গাপূজা: বিবর্ণ জীবনে রঙিন উৎসব দুর্গাপূজা ও টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, তিন স্তরের নিরাপত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের ‎বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনে থাকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ: প্রতি ইউনিট ৪২ টাকা, আরও বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।