ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তালিকা করে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের সাবমেরিন-সহ ১৭টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন খামেনির ছেলে মোজতবা ইরানে এক হাজারের বেশি বেসামরিক নিহত স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি পদে কারা, বিএনপিতে আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: সেন্টমার্টিন কেন আলোচনায়? জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে যাচ্ছে মিয়ানমার কক্সবাজারের আকাশে ‘ব্লাড মুন’ কক্সবাজারে এ বছরের সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা, সর্বোচ্চ ২৪৭৫ টাকা এনসিপির আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আবু তাহেরের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকার সহায়তা দিলেন এমপি কাজল অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাহরির সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

বাঁকখালী নদীর তীরে পুনঃদখল উচ্ছেদে প্রশাসনের ফের অভিযান

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে দখলমুক্ত জায়গায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শহরের কস্তুরাঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুনঃনির্মিত অর্ধশতাধিক স্থাপনা সরাতে মালিকদের একদিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না সরালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বিআইডব্লিউটিএর কক্সবাজারস্থ বন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াকি সাংবাদিকদের বলেন, “গত ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর বাঁকখালী নদীর তীরে পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত শত একর জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু মাস না পেরোতেই কিছু দখলদার আবার স্থাপনা তুলতে শুরু করে। তাই জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পুনরায় অভিযান চালানো হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “দখলমুক্ত জায়গায় নতুন করে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা সরাতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২০১৯ সালের যৌথ জরিপ অনুযায়ী নদীর সীমানায় থাকা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে জানিয়ে আব্দুল ওয়াকি বলেন, “নদী বন্দর নির্মাণ ও নদী সংরক্ষণের স্বার্থে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালানো হবে।”

গত ২৪ আগস্ট হাইকোর্ট কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর সীমানা চিহ্নিত করে চার মাসের মধ্যে দখল উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়। এরপর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও স্থানীয়দের বাধায় তা স্থগিত হয়ে যায়।

বাঁকখালী নদী সংরক্ষণে এবার প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁকখালী নদীর তীরে পুনঃদখল উচ্ছেদে প্রশাসনের ফের অভিযান

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর তীরে দখলমুক্ত জায়গায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় আবারও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শহরের কস্তুরাঘাট সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুনঃনির্মিত অর্ধশতাধিক স্থাপনা সরাতে মালিকদের একদিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না সরালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বিআইডব্লিউটিএর কক্সবাজারস্থ বন্দর কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াকি সাংবাদিকদের বলেন, “গত ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর বাঁকখালী নদীর তীরে পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অন্তত শত একর জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু মাস না পেরোতেই কিছু দখলদার আবার স্থাপনা তুলতে শুরু করে। তাই জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পুনরায় অভিযান চালানো হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “দখলমুক্ত জায়গায় নতুন করে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা সরাতে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সময়সীমা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২০১৯ সালের যৌথ জরিপ অনুযায়ী নদীর সীমানায় থাকা সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে জানিয়ে আব্দুল ওয়াকি বলেন, “নদী বন্দর নির্মাণ ও নদী সংরক্ষণের স্বার্থে ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে অভিযান চালানো হবে।”

গত ২৪ আগস্ট হাইকোর্ট কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর সীমানা চিহ্নিত করে চার মাসের মধ্যে দখল উচ্ছেদ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়। এরপর সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও স্থানীয়দের বাধায় তা স্থগিত হয়ে যায়।

বাঁকখালী নদী সংরক্ষণে এবার প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।