ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম মোকাবিলায় সরকার বদ্ধপরিকর : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নদীতে ফুল দিয়ে শুরু হলো পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু’ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের ঝুঁকি: অবশেষে চালু হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ড মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি নাইক্ষ্যংছড়িতে দুটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, রোহিঙ্গা যুবকসহ আটক ২ অবৈধ পন্থায় উত্তোলন হচ্ছিলো বালি, অভিযানে মালামালসহ জব্দ ঝিলংজায় মাথা ও হাতের কবজিবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার প্রতিবাদ এক সাথে বিনা খরচে ঘর বাঁধলো চার দম্পতি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির জেলা কমিটি গঠন টেকনাফে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার বিজিবির ‘নব্য ফ্যাসিজম রুখতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আহ্বান’ শেষ হলো ‘রামু গ্রন্থমেলা-২০২৬’ টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: ৪ ভিক্টিম উদ্ধার, ২ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার রামুতে বিজিবির অভিযান: ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে স্রোতে ভেসে কিশোর নিখোঁজ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক কিশোর। নিখোঁজ কিশোরের নাম হাফেজ মেহরাব হোসাইন (১৮)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ জুন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মরিচ্যা বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং হোটেল ওয়াকিয়ার মালিক মনজুর আলমের ছেলে মেহরাবের সাথে সাজ্জাদ, নাছিমসহ প্রায় ১৮ জন বন্ধুর একটি দল ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে যান।

ঝর্ণা দেখা শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তারা ফেরার সময় হঠাৎ চলমান বৈরি আবহাওয়ায় পাহাড়ি ঢলে খালের পানির স্তর বেড়ে যায়। ফেরার পথে বাঁশের একটি ডাল ভেঙে গেলে মেহরাব পানিতে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “যে খালটিতে মেহরাব ভেসে যান সেটি ধুরুম খালি থেকে রেজুখাল হয়ে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই পরিবারের ধারণা, তিনি পানির স্রোতের টানে সমুদ্র পর্যন্ত ভেসে যেতে পারেন।”

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা উদ্ধার অভিযানে নামলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত মেহরাবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ মেহরাবের চাচা আবদুল মালেক প্রতিবেদনকে জানান, “আমরা ধারণা করছি পানির স্রোতে মেহরাব সমুদ্রে ভেসে গেছে। এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ হাফেজ মেহরাব হোসাইন সম্পর্কে কোনো তথ্য পান বা কোথাও দেখতে পান, তাহলে কক্সবাজারের মরিচ্যা বাজারস্থ ওয়ালটন প্লাজা মার্কেটে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্ধার তৎপরতার ঘোষণা না পাওয়া গেলেও পরিবার ও এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে স্রোতে ভেসে কিশোর নিখোঁজ

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে গিয়ে পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এক কিশোর। নিখোঁজ কিশোরের নাম হাফেজ মেহরাব হোসাইন (১৮)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৭ জুন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মরিচ্যা বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং হোটেল ওয়াকিয়ার মালিক মনজুর আলমের ছেলে মেহরাবের সাথে সাজ্জাদ, নাছিমসহ প্রায় ১৮ জন বন্ধুর একটি দল ফাত্রাঝিড়ি ঝর্ণা দেখতে যান।

ঝর্ণা দেখা শেষে দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে তারা ফেরার সময় হঠাৎ চলমান বৈরি আবহাওয়ায় পাহাড়ি ঢলে খালের পানির স্তর বেড়ে যায়। ফেরার পথে বাঁশের একটি ডাল ভেঙে গেলে মেহরাব পানিতে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই স্রোতে ভেসে যান। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “যে খালটিতে মেহরাব ভেসে যান সেটি ধুরুম খালি থেকে রেজুখাল হয়ে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। তাই পরিবারের ধারণা, তিনি পানির স্রোতের টানে সমুদ্র পর্যন্ত ভেসে যেতে পারেন।”

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা উদ্ধার অভিযানে নামলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত মেহরাবের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ মেহরাবের চাচা আবদুল মালেক প্রতিবেদনকে জানান, “আমরা ধারণা করছি পানির স্রোতে মেহরাব সমুদ্রে ভেসে গেছে। এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যদি কেউ হাফেজ মেহরাব হোসাইন সম্পর্কে কোনো তথ্য পান বা কোথাও দেখতে পান, তাহলে কক্সবাজারের মরিচ্যা বাজারস্থ ওয়ালটন প্লাজা মার্কেটে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্ধার তৎপরতার ঘোষণা না পাওয়া গেলেও পরিবার ও এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।