ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সুপার ডাইকের জন্য বরাদ্দ চাইলেন সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ

পি ও জামায়েত ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া বঙ্গোপসাগর বেষ্টিত পৃথক দুইটি উপজেলা । এর মধ্যে রয়েছে পৃথক তিনটি দ্বীপ। এখানে অনেক রিসোর্স ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিরাজমান। মানুষের সম্পদ ও জীবন রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ এবং  অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্য থাকাকালে আমি  অব্যাহতভাবে চেষ্টা  করেছি। এখনো সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পে ধলঘাট – মাতারবাড়ী,  এবং কুতুবদিয়া  এ দুইটি দ্বীপ অর্ন্তভুক্ত হলেও সোনাদিয়া দ্বীপকে কেন প্রকল্পের বাহিরে রাখা হয়েছে তা বোধগম্য নয়।   প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল করতে হলে সরকারকে  প্রথমত: প্রকল্পের মধ্যে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি বিশেষ করে  দূর্নীতি মাধ্যমে দেশের অর্থ লুটপাটের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল  কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে ।দ্বিতীয়ত:সরকার কর্তৃক  প্রকল্পের ত্রুটি বিচ্যুতি  যাচাই পূর্বক  তা পুন:মূল্যায়ন করা হলে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণীত প্রাক্কলিত অতিরিক্ত ব্যয় কমে আসবে।

তৃতীয়ত: সোনাদিয়া দ্বীপ এবং  দ্বীপে বসবাসরত মানুষের জীবন রক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সোনাদিয়াকে সুপার ডাইক প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত করতে হবে।

অতপর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিলে দেশের  অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সেইসাথে  মহেশখালী – কুতুবদিয়ার মানুষের জীবন থেকে প্রতিবছর  আপনজন ও বিপুল সম্পদ হারানোর দু:খ- বেদনা দূর হবে।

তাই আমি ৫ লক্ষাধিক  অবহেলিত দ্বীপবাসীর নিরাপদ জীবন যাপন ও তাদের স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্যে  আগামী বাজেটে সুপার ডাইক প্রকল্পে  অর্থ বরাদ্দ রাখার জন্য  সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি?

This will close in 6 seconds

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সুপার ডাইকের জন্য বরাদ্দ চাইলেন সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আজাদ

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

পি ও জামায়েত ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারী জেনারেল সেক্রেটারী এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন মহেশখালী ও কুতুবদিয়া বঙ্গোপসাগর বেষ্টিত পৃথক দুইটি উপজেলা । এর মধ্যে রয়েছে পৃথক তিনটি দ্বীপ। এখানে অনেক রিসোর্স ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিরাজমান। মানুষের সম্পদ ও জীবন রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাধ নির্মাণ এবং  অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংসদ সদস্য থাকাকালে আমি  অব্যাহতভাবে চেষ্টা  করেছি। এখনো সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পে ধলঘাট – মাতারবাড়ী,  এবং কুতুবদিয়া  এ দুইটি দ্বীপ অর্ন্তভুক্ত হলেও সোনাদিয়া দ্বীপকে কেন প্রকল্পের বাহিরে রাখা হয়েছে তা বোধগম্য নয়।   প্রস্তাবিত সুপার ডাইক প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল করতে হলে সরকারকে  প্রথমত: প্রকল্পের মধ্যে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি বিশেষ করে  দূর্নীতি মাধ্যমে দেশের অর্থ লুটপাটের অসৎ উদ্দেশ্য ছিল  কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে ।দ্বিতীয়ত:সরকার কর্তৃক  প্রকল্পের ত্রুটি বিচ্যুতি  যাচাই পূর্বক  তা পুন:মূল্যায়ন করা হলে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রণীত প্রাক্কলিত অতিরিক্ত ব্যয় কমে আসবে।

তৃতীয়ত: সোনাদিয়া দ্বীপ এবং  দ্বীপে বসবাসরত মানুষের জীবন রক্ষা ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সোনাদিয়াকে সুপার ডাইক প্রকল্পের অর্ন্তভুক্ত করতে হবে।

অতপর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিলে দেশের  অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নতুন মাত্রা যোগ হবে। সেইসাথে  মহেশখালী – কুতুবদিয়ার মানুষের জীবন থেকে প্রতিবছর  আপনজন ও বিপুল সম্পদ হারানোর দু:খ- বেদনা দূর হবে।

তাই আমি ৫ লক্ষাধিক  অবহেলিত দ্বীপবাসীর নিরাপদ জীবন যাপন ও তাদের স্বপ্ন পুরণের লক্ষ্যে  আগামী বাজেটে সুপার ডাইক প্রকল্পে  অর্থ বরাদ্দ রাখার জন্য  সরকারের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।